আফগানিস্তানের নতুন ক্ষমতাসীন গোষ্ঠীর সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপনে আঞ্চলিক ও বিশ্ব শক্তিগুলো নতুন দৌড়ে অংশ নিয়েছে। চীন, ইরান, ভারত ও পাকিস্তান চেষ্টা করছে আফগানিস্তানকে কাছে টানতে; তবে এই দৌড়ে সবার চেয়ে এগিয়ে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।
২০২১ সালের আগস্টে ক্ষমতায় আসার পর রাশিয়া ৩ জুলাই আনুষ্ঠানিকভাবে আফগান সরকারের স্বীকৃতি দিয়েছে, যা পশ্চিমা দেশগুলো দেয়নি। ঐতিহাসিকভাবে আফগানিস্তানের বর্তমান গোষ্ঠীর সঙ্গে বেশিরভাগ দেশের সম্পর্ক ছিল উত্তেজনাপূর্ণ।
ভারত ১৯৯৬-২০০১ পর্যন্ত তাদের স্বীকৃতি না দিলেও পরবর্তীতে কাবুলে দূতাবাস চালু করে অবকাঠামো ও উন্নয়ন প্রকল্পে ৩ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করে। পাকিস্তান দীর্ঘদিন এই গোষ্ঠীর প্রধান সমর্থক, বর্তমানে সম্পর্ক উন্নয়নের চেষ্টা করছে। ইরান ৯৮ সালে আফগান যোদ্ধাদের হাতে কূটনীতিক হত্যার পর শত্রুতার সীমানায় ছিল, তবে পরবর্তী সময়ে যোগাযোগ বৃদ্ধি করেছে।
আরও
২০২৫ সালের ২১ মে চীনে আফগানিস্তান, পাকিস্তান ও চীনের ত্রিপক্ষীয় বৈঠক হয়, যা বাণিজ্য ও নিরাপত্তা সহযোগিতা বাড়াতে পরিচালিত হয়। বিশ্লেষকরা বলছেন, পশ্চিমাদের চাপ উপেক্ষা করে রাশিয়া আফগানিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক মজবুত করছে, যা ভূরাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার নতুন অধ্যায় সূচিত করেছে।









