যুক্তরাজ্যের এয়ার ট্র্যাফিক কন্ট্রোল সিস্টেমে রাডারভিত্তিক প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে বুধবার কয়েক ঘণ্টা ধরে দেশটির প্রধান বিমানবন্দরগুলোতে ফ্লাইট চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়। লন্ডনের হিথ্রো, গ্যাটউইক ও স্কটল্যান্ডের এডিনবার্গসহ বেশ কয়েকটি ব্যস্ত বিমানবন্দর এই বিভ্রাটের প্রভাব সরাসরি অনুভব করে। প্রায় চার ঘণ্টা পর পরিস্থিতি ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হয়।
ব্রিটিশ এয়ার ট্র্যাফিক নিয়ন্ত্রক সংস্থা এনএটিএস সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানায়, প্রযুক্তিগত সমস্যার সমাধান করে ফ্লাইট চলাচল স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনা হয়েছে। ফ্লাইট পরিচালনায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কিছু সময়ের জন্য ট্র্যাফিক কমিয়ে দেওয়া হয়েছিল এবং বিকল্প ব্যাকআপ সিস্টেম চালু করা হয়।
সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মুখে পড়ে বাজেট এয়ারলাইন রাইয়ানএয়ার। সংস্থাটি জানায়, বিভ্রাটের কারণে তাদের বহু ফ্লাইট বাতিল করতে হয়েছে বা অন্য বিমানবন্দরে স্থানান্তর করতে হয়েছে। এতে হাজার হাজার যাত্রী দীর্ঘ সময় আটকে পড়ে চরম ভোগান্তির শিকার হন।
আরও
রাইয়ানএয়ার এ ঘটনাকে ‘একেবারেই অগ্রহণযোগ্য’ বলে উল্লেখ করে এনএটিএস-এর প্রধান নির্বাহী মার্টিন রল্ফের পদত্যাগ দাবি করেছে। রাইয়ানএয়ারের প্রধান অপারেটিং কর্মকর্তা নিল ম্যাকমোহন অভিযোগ করেন, ২০২৩ সালের আগস্টেও একই ধরনের ত্রুটি হয়েছিল, কিন্তু সেখান থেকে কোনো শিক্ষা নেওয়া হয়নি।
তিনি আরও বলেন, “বারবার একই ধরনের ঘটনা ঘটায় যাত্রীদের দুর্ভোগ বাড়ছে এবং এটি এয়ার ট্র্যাফিক ব্যবস্থাপনায় চরম অযোগ্যতার পরিচায়ক। ভবিষ্যতে যাতে এমন সংকট আর না ঘটে, সে বিষয়ে দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন











