Opens in a new tab
সর্বশেষ

৪০ সেকেন্ডে তিন প্রশ্ন, ভারতীয়র মার্কিন ভিসা আবেদন প্রত্যাখ্যান

৪০ সেকেন্ডে তিন প্রশ্ন, ভারতীয়র মার্কিন ভিসা আবেদন প্রত্যাখ্যানWeb Popup (3)

সাম্প্রতিক সময়ে মার্কিন ভিসা পাওয়া নিয়ে ভারতীয় নাগরিকদের জটিলতা বাড়ছে। দেশটির গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, হঠাৎ করেই বহু ভারতীয়ের ভিসা বাতিল করা হচ্ছে। এর ধারাবাহিকতায়, সম্প্রতি এক ভারতীয় ভিসা আবেদন করে এক অপ্রত্যাশিত অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হয়েছেন। অভিযোগ উঠেছে, মাত্র ৪০ সেকেন্ডের ভিসা সাক্ষাৎকারে তিনটি প্রশ্ন করার পরই তার আবেদন খারিজ করে দেওয়া হয়েছে।

গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, নয়া দিল্লিতে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসে এক ভারতীয় যুবক পর্যটন ভিসার জন্য আবেদন করেছিলেন। রেডিট নামক সামাজিক মাধ্যম ব্যবহারকারী ওই যুবক তার অভিজ্ঞতার কথা জানিয়ে বলেছেন, দূতাবাসের ভিসা কর্মকর্তা তাকে কেবল তিনটি প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেই ফেরত পাঠান। প্রশ্নগুলো ছিল তার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার উদ্দেশ্য, পূর্বে অন্যান্য দেশে ভ্রমণের ইতিহাস এবং যুক্তরাষ্ট্রে তার কোনো আত্মীয় বা বন্ধু আছে কিনা।

ওই যুবক উত্তরে জানান যে তিনি ফ্লোরিডায় ঘুরতে যেতে চান। তবে, তার এর আগে বিদেশ ভ্রমণের কোনো অভিজ্ঞতা নেই এবং ফ্লোরিডায় তার বান্ধবী থাকেন। কিন্তু এই সততার ফলস্বরূপ তার ভিসা আবেদন প্রত্যাখ্যাত হয়। ভিসা কর্মকর্তা ২১৪(বি) ধারার উল্লেখ করে ভিসা না দেওয়ার সিদ্ধান্ত জানান। এই ধারা অনুযায়ী, ভিসা অফিসারের মনে হয়েছে আবেদনকারী তার নিজ দেশে ফিরে আসার যথেষ্ট প্রমাণ দিতে পারেননি।

এ বিষয়ে রেডিটে পরামর্শ চেয়ে ওই যুবক একটি পোস্ট করলে, সেখানে একজন ব্যবহারকারী মন্তব্য করেন যে তার ভিসা প্রত্যাখ্যানের ঘটনাটি একটি আদর্শ উদাহরণ। কারণ পশ্চিমা দেশগুলোতে ভ্রমণের অভিজ্ঞতা না থাকা এবং যুক্তরাষ্ট্রে একজন বান্ধবী থাকা সেখানে স্থায়ীভাবে বসবাসের ইচ্ছাকে জোরালো করতে পারে। অন্য একজন ব্যবহারকারী মনে করেন, ভিসা কর্মকর্তা ধরে নিতে পারেন যে যেহেতু আবেদনকারী এখনও তার বান্ধবীর সাথে দেখা করেননি, তাই তিনি ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও সেখানে থেকে যেতে পারেন। মার্কিন অভিবাসন আইনের ২১৪(বি) ধারা অনুযায়ী, ভিসা প্রত্যাখ্যানের অন্যতম প্রধান কারণ হলো আবেদনকারীর অ-অভিবাসী মনোভাব প্রমাণে ব্যর্থ হওয়া।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারতে শক্তিশালী পারিবারিক বা কর্মজীবনের বন্ধন দেখাতে পারলে পুনরায় আবেদনের সুযোগ থাকলেও, পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন ছাড়া সফলতা কঠিন। বর্তমানে ওই যুবকের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ হলো নতুন করে চাকরি, পর্যাপ্ত ব্যাংক ব্যালেন্স অথবা পারিবারিক সম্পর্কের মতো বিষয়গুলোর প্রমাণ দেওয়া। মার্কিন দূতাবাস সূত্রের খবর, একবার ভিসা প্রত্যাখ্যাত হলে যদি তথ্যে তেমন কোনো পরিবর্তন না আসে, তবে পরবর্তী আবেদনগুলোতেও একই উত্তর পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
আরও দেখুন 

whatsappচ্যানেল ফলো করুন

প্রবাস টাইমে লিখুন আপনিও। প্রবাসে বাংলাদেশি কমিউনিটির নানা আয়োজন, ঘটনা-দুর্ঘটনা, প্রবাসীদের সুযোগ-সুবিধা, সমস্যা-সম্ভাবনা, সাফল্য, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের খবর, ছবি ও ভিডিও আমাদের পাঠাতে পারেন [email protected] মেইলে।

Web Popup (3)
Web Squre popup