ইউরোপের গাড়ির বাজারে দখল হারাচ্ছে ইউরোপিয় গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলো। বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম এই বাজার এখন চীনের হাতে। বৈদ্যুতিক গাড়ির ব্যবহার বাড়ার পাশাপাশি নতুন শুল্কারোপ আর ট্রাম্পের বিজয়ে জটিল এক সমীকরণের মুখে এই মহাদেশের গাড়ি শিল্প।
পরিবেশ বাঁচাতে বৈদ্যুতিক গাড়ির ব্যবহারের দিকে হাঁটছে ইউরোপ। তাতেই হুমকির মুখে মহাদেশটির গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলো। সাথে যুক্ত ট্রাম্পের বিজয়।
করোনা মহামারীর সময় এ ব্যবসায় ভাটা নামে, যা ৪ বছরেও কাটিয়ে উঠতে পারেনি ইউরোপ। উচ্চ সুদের হারের কারনে বাড়েনি গাড়ির চাহিদাও। সেই সাথে বৈদ্যুতিক গাড়ির ব্যবহার বাড়াতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের নতুন আইন। আর এই সুযোগে ইউরোপের বাজার দখল করে নিচ্ছে চীন। চীনকে আটকাতে যুক্তরাষ্ট্রের অনুকরনে প্রায় সাড়ে ৪৫ শতাংশ পর্যন্ত শুল্কারোপ করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়নও। কিন্তু তাতে কেবলই বাড়বে যানবাহনের দাম।
আরও
অডি এজি’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা গার্নর ডলনার বলেন,” আমরা এই শুল্ক প্রস্তাবকে সমর্থন করি না। প্রতিযোগিতার মাধ্যমেই আমরা ক্রেতাদের সব থেকে ভালো পণ্য সরবরাহ করতে পারব। আমি বিশ্বাস করি ইউরোপের গাড়ির বাজারে এমন প্রতিযোগিতার দরকার।”
অন্যদিকে ইউরোপ থেকে পণ্য আমদানিতে ১০ শতাংশ শুল্কারোপের ঘোষণা ডোনাল্ড ট্রাম্পের। ট্রাম্পের বিজয়ে ইতোমধ্যেই শেয়ারবাজারে দর হারিয়েছে বিএমডব্লিউ, মার্সিডিস ও ভক্সওয়াগনসহ প্রায় সকল ইউরোপীয় গাড়ি নিমার্তারা।
আঞ্চলিক গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলোকে করছাড় এবং প্রণোদনা দেবার প্রস্তাব করেছে সংশ্লিষ্টরা। তবে ব্যবসায় কৌশলে পরিবর্তন না আনলে সব সহায়তাই ব্যর্থ হবে বলে মত বিশেষজ্ঞদের।











