পর্তুগালে ভুয়া ড্রাইভিং লাইসেন্স ব্যবহার করে পর্তুগিজ ড্রাইভিং লাইসেন্স নেওয়ার চেষ্টা করায় ২২ জন বাংলাদেশির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে দেশটির সড়ক পরিবহন নিয়ন্ত্রক সংস্থা ইএমটি (Instituto da Mobilidade e dos Transportes)। সংস্থাটির পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, অভিযুক্তরা বাংলাদেশের জাল লাইসেন্স জমা দিয়ে পর্তুগিজ লাইসেন্স এক্সচেঞ্জের চেষ্টা করেছিলেন।
বাংলাদেশ ও পর্তুগালের মধ্যে চুক্তি অনুযায়ী বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স জমা দিলে লিখিত বা ব্যবহারিক পরীক্ষার প্রয়োজন হয় না। তবে অভিযুক্তরা এই সুবিধাকে কাজে লাগাতে জালিয়াতির পথ বেছে নেন। ইএমটির তদন্তে ধরা পড়ে, জমা দেওয়া লাইসেন্সগুলোর নম্বর অভিন্ন, যা জালিয়াতির স্পষ্ট প্রমাণ।
এ ঘটনায় বাংলাদেশ দূতাবাসকে অবহিত করেছে ইএমটি। দূতাবাস জানিয়েছে, অভিযুক্তদের তালিকা হাতে পাওয়া গেছে এবং বিষয়টি নিয়ে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে। একই সঙ্গে অভিযুক্ত ২২ জনকে দ্রুত দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
আরও
ঘটনাটিকে ঘিরে প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। অনেকেই আশঙ্কা করছেন, এ কারণে নতুন লাইসেন্স সংগ্রহ ও নবায়ন প্রক্রিয়া আরও কঠোর হতে পারে। লিসবনের বাংলাদেশি কমিউনিটির কয়েকজন নেতা বিষয়টিকে দুঃখজনক উল্লেখ করে বলেন, প্রবাসীদের সুনাম রক্ষা করতে হলে অবশ্যই নিয়ম মেনে বৈধ উপায়ে ড্রাইভিং লাইসেন্স সংগ্রহ করতে হবে।
ইএমটির নিয়ম অনুযায়ী, পর্তুগালে বৈধভাবে বসবাসরত বাংলাদেশিদের ড্রাইভিং লাইসেন্স এক্সচেঞ্জ করতে হলে বাংলাদেশি লাইসেন্সের মূল কপি, দূতাবাসের সত্যায়িত অনুলিপি, রেসিডেন্স পারমিট, ট্যাক্স নম্বর এবং মেডিকেল সার্টিফিকেট জমা দিতে হয়। সব কাগজপত্র যাচাইয়ের পরেই ইএমটি পর্তুগিজ ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রদান করে থাকে।











