সম্প্রতি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মুখে শেখ হাসিনার সরকারের পদত্যাগের পর দায়িত্ব নিয়েছে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার।
বাংলাদেশ ব্যাংক দেশের ব্যাংকিং খাতে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে এবং অবৈধ কার্যকলাপ রোধ করার লক্ষ্যে নগদ টাকা উত্তোলনের সীমা নির্ধারণ করেছে।
সর্বশেষ নির্দেশনায়, একজন ব্যক্তি যেকোনো ব্যাংক থেকে চেকের মাধ্যমে সর্বোচ্চ ৩ লাখ টাকা উত্তোলন করতে পারবেন।
নগদ টাকা উত্তোলনের সীমা নির্ধারণের মূল উদ্দেশ্য হলো দেশের ব্যাংকিং খাতে স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং অবৈধ কার্যকলাপ রোধ করা। অতিরিক্ত নগদ টাকা অর্থনীতিতে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি করতে পারে এবং অবৈধ কার্যকলাপের জন্য ব্যবহৃত হতে পারে।
আরও
এর আগে গেল সপ্তাহে নগদ তোলার সুযোগ ছিল সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা। আর ৮ আগস্ট অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের পর ব্যাংকিং লেনদেণে নিয়ন্ত্রণমূলক পদক্ষেপের অংশ হিসেবে চেকের মাধ্যমে ১ লাখ টাকার বেশি তুলতে না দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল।
জানা গেছে, এই সিদ্ধান্ত অর্থনীতির উপর বিভিন্ন ধরনের প্রভাব পড়তে পারে। একদিকে এটি অর্থনীতিতে নগদ টাকার প্রবাহ কমিয়ে দিতে পারে এবং অন্যদিকে ডিজিটাল লেনদেনের বৃদ্ধি ঘটাতে পারে।
এদিকে, বাংলাদেশ ব্যাংকের এই সিদ্ধান্ত অর্থনীতির স্থিতিশীলতা বজায় রাখার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। তবে, এই সিদ্ধান্তের সফল বাস্তবায়নের জন্য সরকারকে সাধারণ মানুষ এবং ব্যবসায়ীদের মধ্যে ডিজিটাল লেনদেনের সচেতনতা বাড়াতে হবে। পাশাপাশি, ডিজিটাল লেনদেনের জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো উন্নয়ন করাও জরুরি।












