জাতিসংঘের তথ্যানুসারে, গাজার প্রায় ৮৭ শতাংশ এলাকা বর্তমানে ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বা বাসিন্দাদের সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সংস্থাটি সতর্ক করেছে, ইসরায়েলের আরও সামরিক অগ্রযাত্রা গাজায় ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে।
গাজা শহরে ইসরায়েলের নতুন দখল পরিকল্পনা নিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ তীব্র সমালোচনা করেছে। তারা মনে করছে, এই পদক্ষেপ সংঘাত ও রক্তপাত আরও বাড়াবে। জাতিসংঘ ও বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা অবিলম্বে এ পরিকল্পনা প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়েছে। পাশাপাশি ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও পশ্চিমা দেশগুলো অস্ত্রবিরতি, বন্দি মুক্তি এবং মানবিক সাহায্যের অবাধ প্রবাহ নিশ্চিতের দাবি তুলেছে।
ইরান, সৌদি আরবসহ একাধিক দেশ এই পরিকল্পনাকে জাতিগত নিপীড়ন ও গণহত্যা হিসেবে অভিহিত করেছে। মিশর, জর্ডান, তুরস্ক ও স্পেনসহ বহু রাষ্ট্র একে দ্বিরাষ্ট্র সমাধান ও ফিলিস্তিনি অধিকার লঙ্ঘন হিসেবে নিন্দা জানিয়েছে। তারা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।
আরও
এদিকে, অস্ট্রেলিয়া আগামী সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। সোমবার (১১ আগস্ট) প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজ এ ঘোষণা দেন। তিনি জানান, ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ অস্ত্র ত্যাগ, সাধারণ নির্বাচন আয়োজন এবং ইসরায়েলের অস্তিত্ব স্বীকারে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়েছে। তার ভাষ্যে, মধ্যপ্রাচ্যে সহিংসতার চক্র ভাঙার সর্বোত্তম উপায় হচ্ছে দ্বিরাষ্ট্র সমাধান।
ইসরায়েল এই সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে বলেছে, এটি সন্ত্রাসবাদকে পুরস্কৃত করার শামিল। যুক্তরাষ্ট্রও ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি না দেওয়ার অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছে। আলবানিজ জানিয়েছেন, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, নিউজিল্যান্ড ও জাপানের নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে জাতিসংঘের ১৯৩ সদস্য রাষ্ট্রের মধ্যে ১৪৭টি দেশ ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিয়েছে।












