নেপালের রাসুয়া জেলার ভোটেকোশি নদীতে আকস্মিক ভয়াবহ বন্যার জেরে ভারতের বিহার রাজ্যে ভেসে আসছে অস্বাভাবিক আকৃতির বিশালাকার সব মাছ। প্রবল স্রোতে ভেসে আসা এসব মাছ স্থানীয়রা অবাধে ধরছেন, খাচ্ছেন এবং বাজারে বিক্রিও করছেন। তবে এসব মাছ খেয়ে ইতোমধ্যে বেশ কয়েকজন অসুস্থ হয়ে পড়ার খবর পাওয়া গেছে। জনস্বাস্থ্যের জন্য চরম হুমকিস্বরূপ এই পরিস্থিতি এড়াতে বন্যার পানিতে ভেসে আসা অপরিচিত এসব মাছ ধরা, বিক্রি এবং খাওয়ার ওপর কঠোর সতর্কতা জারি করেছে বিহার রাজ্য সরকার।

গত সোমবার বিহার সরকারের ডেইরি ও মৎস্য বিভাগের পক্ষ থেকে জননিরাপত্তাবিষয়ক এক জরুরি নির্দেশনায় এই সতর্কতা দেওয়া হয়। সরকারি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রবল বেগে ধেয়ে আসা বন্যার পানি নদী, নালা, পুকুর ও অন্যান্য জলাশয় থেকে এসব মাছ ভাসিয়ে অনেক দূর পর্যন্ত নিয়ে আসে। দীর্ঘ এই পথ পাড়ি দেওয়ার সময় মাছগুলো দূষিত ড্রেনের পানি, মৃত প্রাণী এবং নানা ধরনের ক্ষতিকর ও বিষাক্ত পদার্থের সংস্পর্শে আসে। ফলে এসব মাছে মারাত্মক ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস ও ফাঙ্গাস সংক্রমিত হওয়ার প্রবল আশঙ্কা থাকে। তাই সম্পূর্ণ নিরাপদ নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত সরাসরি বন্যার পানি থেকে মাছ ধরা এবং এসব মাছ খাওয়া থেকে সাধারণ মানুষকে সম্পূর্ণ বিরত থাকতে বলা হয়েছে।
আরও
नेपाल से लगातार बहते हुए ये एक ही तरह की और बड़े साइज की मछलीयां बिहार आ रही है और सभी मरी हुई हैं आखिर ये कौन सी मछली हैं कोई बता सकता हैं
.?? pic.twitter.com/nExiYI9ppt— Indian🇮🇳 (@singh31919) August 28, 2026
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম নিউজ-১৮ এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বন্যার পর থেকেই বিহারের গন্ধক নদীতে এসব বিশাল আকৃতির মাছের দেখা মিলছে, যার মধ্যে সবচেয়ে বেশি পাওয়া যাচ্ছে বড় আকারের মাগুর মাছ। এ বিষয়ে ওয়াইল্ডলাইফ ট্রাস্ট অব ইন্ডিয়ার পরিচালক সমীর কুমার সিনহা সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়াকে জানিয়েছেন, বিহারে ভেসে আসা এসব মাগুর মাছ স্থানীয়রা প্রচুর পরিমাণে খাচ্ছেন। তবে এই প্রজাতির মাছ মারা যাওয়ার খুব অল্প সময়ের মধ্যেই পচতে শুরু করে। তাই মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়াতে এগুলো খাওয়ার আগে মাছগুলো পচে গেছে কি না বা আদৌ তা খাওয়ার উপযোগী কি না, সে বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া অত্যন্ত জরুরি।










