মালয়েশিয়ার পেরাক অঙ্গরাজ্যে ইমিগ্রেশন পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৭৯ জন বাংলাদেশি প্রবাসী কর্মী আটক হয়েছেন। ভিসা ও পাসপোর্টের শর্ত ভঙ্গ এবং নির্ধারিত সময়ের বেশি অবস্থানের অভিযোগে গতকাল বুধবার দিবাগত রাতে তাঁদের আটক করা হয়। মালয়েশিয়ার স্থানীয় বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের খবরে বাংলাদেশি এই কর্মীদের আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পেরাক অঙ্গরাজ্যের চেমোরের কানথান শিল্প এলাকায় গতকাল সন্ধ্যা সাতটা থেকে এই যৌথ অভিযান শুরু হয়। ইমিগ্রেশন বিভাগের পাশাপাশি দেশটির শ্রম বিভাগ (জেটিকে), পুলিশ (পিডিআরএম), জেনারেল অপারেশন ফোর্স (পিজিএ) এবং জাতীয় নিবন্ধন বিভাগের (জেপিএন) সদস্যরা এই অভিযানে অংশ নেন। মূলত কর্মীদের কর্মঘণ্টার শিফট পরিবর্তনের সময় আকস্মিক এই অভিযান চালানো হয়।

আরও
পেরাক ইমিগ্রেশন বিভাগের পরিচালক জেমস লি জানান, তল্লাশি চালিয়ে প্রথম কারখানা থেকে ৫৬ জন এবং দ্বিতীয় কারখানা থেকে বাকি ২৩ জন বাংলাদেশিকে আটক করা হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, আটক কর্মীরা মালয়েশিয়ায় প্রবেশের ক্ষেত্রে ভিজিট পাসের অপব্যবহার করেছেন এবং অনেকেই ভিসার নির্ধারিত মেয়াদের চেয়ে বেশি সময় ধরে সেখানে অবস্থান করছিলেন। এ ছাড়া একই মূল কোম্পানির অধীন কারখানা দুটি অন্য কোম্পানি বা খাতে নিবন্ধিত বিদেশি কর্মীদের অবৈধভাবে নিজেদের প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ দিয়েছিল বলেও সন্দেহ করা হচ্ছে।
আটক এসব বাংলাদেশির বিরুদ্ধে ১৯৬৩ সালের ইমিগ্রেশন বিধিমালার ৩৯বি ধারায় তদন্ত ও আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছেন জেমস লি। এর পাশাপাশি দেশটির শ্রম বিভাগও তাদের নিজস্ব আইনের আওতায় এই ঘটনার তদন্ত করবে। ইমিগ্রেশন বিভাগ জানিয়েছে, গত বছরের পর এ নিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো কারখানা দুটিতে অভিযান চালানো হলো। তাই অবৈধভাবে বিদেশি কর্মী নিয়োগের দায়ে সংশ্লিষ্ট নিয়োগকর্তাদের বিরুদ্ধেও এবার কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।











