রাজধানী কুয়ালালামপুরে পরিচালিত এক যৌথ অভিযানে ৯টি অবৈধ ক্লিনিক থেকে ১৭ জন বাংলাদেশিকে আটক করেছে জাবাতান ইমিগ্রেসেন মালয়েশিয়া (জেআইএম)। বৃহস্পতিবার ১৩ ফেব্রুয়ারি বিকেল ৪টা থেকে শুরু হওয়া এ অভিযানে জেআইএমের বিশেষ প্রযুক্তিগত দল পাস্টাক এবং কুয়ালালামপুর ফার্মাসিউটিক্যাল এনফোর্সমেন্ট শাখা অংশ নেয়।

দুই সপ্তাহের গোয়েন্দা নজরদারি ও তথ্য বিশ্লেষণের পর অভিযানটি পরিচালিত হয়। অভিযানের সময় ৫০ জন বিদেশিকে তল্লাশি করা হলে তাদের মধ্যে ১৭ জন বাংলাদেশি নাগরিককে আটক করা হয়। আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে বৈধ ভ্রমণ নথি না থাকা, ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও অবস্থান এবং পারমিটের অপব্যবহারের অভিযোগ আনা হয়েছে।
আরও
তদন্তে বেরিয়ে আসে যে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো বাইরে থেকে সাধারণ পণ্যের দোকান হিসেবে পরিচালিত হলেও ভেতরে চলছিল অবৈধ চিকিৎসা কার্যক্রম। সেখানে লাইসেন্স ছাড়া চিকিৎসা সেবা প্রদান, অনুমোদনহীন ওষুধ বিক্রি এবং সন্দেহভাজন সাইকোট্রপিক ওষুধ সরবরাহ করা হচ্ছিল। অভিযানের সময় কেমেন্তেরিয়ান কেসিহাতান মালয়েশিয়া (কেকেএম)-এ নিবন্ধনবিহীন বিপুল পরিমাণ ওষুধ জব্দ করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, কিছু ওষুধ বিদেশ থেকে পর্যটকদের মাধ্যমে দেশে আনা হয়েছে। প্রতিটি লেনদেনে ৫০ থেকে ১০০ রিঙ্গিত পর্যন্ত নেওয়া হতো বলে জানা গেছে।
স্বাস্থ্যসংক্রান্ত অপরাধের বিষয়গুলো কেকেএমের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে কোনো সংঘবদ্ধ চক্র কাজ করছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। জেআইএম জানিয়েছে, অভিবাসন আইন ১৯৫৯/৬৩ লঙ্ঘন এবং জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকি সৃষ্টি করে এমন কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে এ ধরনের যৌথ অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।












