ইন্দোনেশিয়া থেকে অবৈধভাবে মালয়েশিয়ায় প্রবেশের সময় ‘পম-পম’ বোট থেকে এক বাংলাদেশিসহ ৮০ জন অভিবাসীকে আটক করেছে মালয়েশিয়ান মেরিটাইম এনফোর্সমেন্ট এজেন্সি (মেরিটাইম মালয়েশিয়া)। শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) চালানো অভিযানে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় আসে ৩১ বছর বয়সী এক বাংলাদেশি যুবকের স্বীকারোক্তি।
আটক যুবক জানান, তিনি টানা আট বছর ধরে মালয়েশিয়ার একটি খাদ্য কারখানায় বৈধভাবে কাজ করছিলেন। তার কাছে বৈধ পাসপোর্ট ও কাজের পারমিট ছিল। গত ২৬ ডিসেম্বর জোহর রাজ্য থেকে বৈধপথে ইন্দোনেশিয়ার মেদানে যান এক নারীকে বিয়ে করতে। সেখানে প্রায় এক মাস থাকার পর কর্মস্থলে ফেরার জন্য তিনি বৈধ পথ এড়িয়ে ঝুঁকিপূর্ণ অবৈধ নৌযাত্রা বেছে নেন।
জিজ্ঞাসাবাদে ওই যুবক দাবি করেন, ফেরার পুরো আয়োজন করেছিলেন তার ইন্দোনেশীয় স্ত্রী। তিনি বলেন, স্ত্রী তাকে একটি নম্বর দেন এবং নির্দিষ্ট সময়ে লোক আসবে বলে জানান। যাতায়াত খরচ বাবদ তিনি ১ হাজার ৫০০ রিঙ্গিত পরিশোধ করেন। জানা গেছে, ওই নারী এর আগে মালয়েশিয়ার জোহর রাজ্যে গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করতেন।
আরও
মেরিটাইম মালয়েশিয়ার সেলাঙ্গর শাখার ডেপুটি অপারেশন ডিরেক্টর কমান্ডার মোহাম্মদ ফাইরুসনিজাম আব্দুল রাজাক সংবাদ সম্মেলনে জানান, আটক ব্যক্তিদের মধ্যে একজন বাংলাদেশি, দুজন ইন্দোনেশীয় ক্রু এবং ৭৭ জন ইন্দোনেশীয় নাগরিক রয়েছেন। তাদের মধ্যে ২৯ জন নারী ও একজন কিশোরীও রয়েছে।
কোনো লাইফ জ্যাকেট ছাড়াই তারা প্রায় ৮-১০ ঘণ্টা উত্তাল সমুদ্র পাড়ি দিয়ে ইন্দোনেশিয়ার বাতু বারা থেকে মালয়েশিয়ার সুঙ্গাই এয়ার তাওয়ারের দিকে যাচ্ছিলেন। তল্লাশির সময় নৌকার প্রধান চালক সমুদ্রে ঝাঁপ দিয়ে পালিয়ে যায়। তদন্তে জানা গেছে, মানব পাচারকারী চক্র এখন স্থানীয় মাছ ধরার নৌকায় যাত্রী বদল না করে সরাসরি ইন্দোনেশিয়া থেকে মালয়েশিয়া উপকূলে পৌঁছানোর কৌশল ব্যবহার করছে। গন্তব্য অনুযায়ী জনপ্রতি ১ হাজার ৫০০ থেকে ২ হাজার ৫০০ রিঙ্গিত আদায় করা হচ্ছিল।
বর্তমানে আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অভিবাসন আইন ১৯৫৯/৬৩ এবং মানব পাচারবিরোধী আইন ২০০৭ অনুযায়ী তদন্ত চলছে। অবৈধ অভিবাসন ঠেকাতে মালয়েশিয়া কর্তৃপক্ষ সমুদ্রপথে টহল ও নজরদারি আরও জোরদার করার ঘোষণা দিয়েছে। অবৈধপথে মালয়েশিয়ায় প্রবেশকালে ‘পম-পম’ বোট থেকে এক বাংলাদেশিসহ ৮০ জন অভিবাসীকে আটক করেছে মালয়েশিয়ান মেরিটাইম এনফোর্সমেন্ট এজেন্সি (মেরিটাইম মালয়েশিয়া)।
শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) এ অভিযানে সবচেয়ে বেশি আলোচনার জন্ম দিয়েছে আটক হওয়া ৩১ বছর বয়সি সে বাংলাদেশি যুবকের স্বীকারোক্তি। আটক বাংলাদেশি যুবক জানান, তিনি দীর্ঘ ৮ বছর ধরে মালয়েশিয়ার একটি খাদ্য কারখানায় বৈধভাবে কর্মরত ছিলেন। তার কাছে বৈধ পাসপোর্ট এবং কাজের পারমিটও ছিল।
গত ২৬ ডিসেম্বর তিনি জোহর রাজ্য থেকে বৈধভাবেই ইন্দোনেশিয়ার মেদানে যান এক নারীকে বিয়ে করতে। সেখানে মাসখানেক অবস্থানের পর কর্মস্থলে ফেরার জন্য তিনি বৈধপথ ছেড়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে অবৈধ নৌকায় চড়েন।
জিজ্ঞাসাবাদে ওই যুবক দাবি করেন, ফেরার এই পুরো আয়োজনটি করেছিলেন তার ইন্দোনেশীয় স্ত্রী। তিনি বলেন, ‘আমি বিস্তারিত কিছু জানি না। আমার স্ত্রী সব আয়োজন করেছেন। তিনি আমাকে একটি নম্বর দিয়ে বলেছিলেন রাতে নির্দিষ্ট সময়ে লোক আসবে। আমি শুধু যাতায়াত খরচ বাবদ ১,৫০০ রিঙ্গিত দিয়েছি।’ ওই যুবকের স্ত্রী নিজেও এর আগে মালয়েশিয়ার জোহর রাজ্যে গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করতেন বলে জানা গেছে।
মেরিটাইম মালয়েশিয়ার সেলাঙ্গর শাখার ডেপুটি অপারেশন ডিরেক্টর কমান্ডার মোহাম্মদ ফাইরুসনিজাম আব্দুল রাজাক সংবাদ সম্মেলনে জানান, আটককৃতদের মধ্যে ১ জন বাংলাদেশি, ২ জন ইন্দোনেশীয় ক্রু এবং ৭৭ জন ইন্দোনেশীয় নাগরিক (২৯ জন নারী ও ১ জন কিশোরীসহ)।
কোনো লাইফ জ্যাকেট ছাড়াই প্রায় ৮ থেকে ১০ ঘণ্টা উত্তাল সমুদ্র পাড়ি দিয়ে তারা ইন্দোনেশিয়ার বাতু বারা থেকে মালয়েশিয়ার সুঙ্গাই এয়ার তাওয়ার অভিমুখে আসছিলেন। তল্লাশির সময় নৌকার প্রধান চালক (টেকং) সমুদ্রে ঝাঁপ দিয়ে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।
তদন্তে উঠে এসেছে, মানব পাচারকারী সিন্ডিকেটগুলো এখন স্থানীয় মাছ ধরার নৌকায় যাত্রী বদল না করে সরাসরি ইন্দোনেশিয়া থেকে মালয়েশিয়া উপকূলে পৌঁছানোর নতুন কৌশল ব্যবহার করছে। গন্তব্য অনুযায়ী জনপ্রতি ১,৫০০ থেকে ২,৫০০ রিঙ্গিত নেয়া হচ্ছিল এই যাত্রায়।
বর্তমানে আটককৃতদের বিরুদ্ধে অভিবাসন আইন ১৯৫৯/৬৩ এবং মানব পাচার বিরোধী আইন ২০০৭-এর অধীনে তদন্ত চলছে। অবৈধ অভিবাসন রোধে মালয়েশিয়া কর্তৃপক্ষ টহল ও নজরদারি আরও জোরদার করার ঘোষণা দিয়েছে।












