মালয়েশিয়ায় বসবাসরত কাগজপত্রহীন বাংলাদেশি শ্রমিকদের ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের প্রদত্ত ই-কার্ড বা টেম্পোরারি পাস দ্রুত গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ হাইকমিশনের কাউন্সিলর (লেবার) সায়েদুল ইসলাম। বুধবার বিকেলে কুয়ালালাম্পুরে হাইকমিশন কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ পরামর্শ দেন।

হাইকমিশনের কাউন্সেলর জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী দাতুশ্রী নাজিব তুন রাজাকের সঙ্গে টেলিফোনে আলাপ করে দীর্ঘদিন ধরে দেশটিতে অবস্থানরত কাগজপত্রহীন বাংলাদেশি শ্রমিকদের বৈধতার আওতায় আনার বিষয়ে অনুরোধ জানান। এর পরিপ্রেক্ষিতে মালয়েশিয়া সরকার নতুন করে ই-কার্ড কার্যক্রম চালু করেছে, যা চলমান রি-হায়ারিং প্রোগ্রামের অংশ হিসেবে পরিচালিত হচ্ছে।
আরও
প্রক্রিয়া সম্পর্কে তিনি বলেন, যেসব শ্রমিকের কোনো বৈধ কাগজপত্র নেই, তারা মালিকের সহায়তায় ইমিগ্রেশন দপ্তরে গেলে প্রথমে ‘লাল’ টেম্পোরারি পাস পাবেন। এরপর সেই পাস নিয়ে বাংলাদেশ হাইকমিশনে গিয়ে নতুন পাসপোর্ট করতে হবে। পাসপোর্ট ইস্যুর পর পুনরায় ইমিগ্রেশনে আবেদন করলে শ্রমিকদের দেওয়া হবে ‘নীল’ টেম্পোরারি পাস, যার মেয়াদ থাকবে এক বছর। এই সময়ের মধ্যে রি-হায়ারিং পদ্ধতিতে শ্রমিকরা বৈধতার পূর্ণ প্রক্রিয়ায় যুক্ত হতে পারবেন।
কমিউনিটির নেতারা বলেন, পুলিশি হয়রানি এড়াতে এবং নির্বিঘ্নে কর্মস্থলে যাতায়াত নিশ্চিত করতে কাগজপত্রহীন শ্রমিকদের অবশ্যই এ সুযোগের আওতায় আসা উচিত। বৈধ না থাকলে ঝুঁকি বাড়বে বলেও তারা উল্লেখ করেন।
অন্যদিকে, মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগের মহাপরিচালক মুস্তাফার আলী সতর্ক করে বলেন, নিয়োগকর্তারা যেন কোনো এজেন্ট বা দালাল ব্যবহার করে ই-কার্ড নিবন্ধন না করেন। ই-কার্ডের মেয়াদ ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ পর্যন্ত বৈধ থাকবে, এবং এই সময়ের মধ্যেই শ্রমিকদের রি-হায়ারিং প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।











