মালয়েশিয়ায় অবৈধ অভিবাসীদের আশ্রয় ও কর্মে নিয়োজিত করার অপরাধে তিন নিয়োগকর্তাকে জরিমানা করেছে দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগ। বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) সেলাঙ্গর অভিবাসন বিভাগের পরিচালক খাইরুল আমিনুস কামারুদ্দিন এক বিবৃতিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, অভিযুক্তরা আদালতে দোষ স্বীকার করেছেন এবং অভিবাসন আইন ১৯৫৯/৬৩ অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে গৃহীত ব্যবস্থা থেকে কেউই রেহাই পায়নি।
বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, প্রথম মামলায় পেতালিং জায়া কমার্শিয়াল সেন্টারের একটি রেস্তোরাঁর মালিক দুই ইন্দোনেশীয় নাগরিককে অবৈধভাবে আশ্রয় দেওয়ায় ১০ হাজার রিঙ্গিত জরিমানা গুণতে হয়েছে। দ্বিতীয় ঘটনায় সুবাং জায়ার একটি হোটেল পরিচালনাকারী দুজন বাংলাদেশিকে বৈধ নথি ছাড়াই কাজে লাগানোর অপরাধে একই পরিমাণ জরিমানা করেন আদালত।
তৃতীয় মামলায় বান্দার সানওয়ের একটি ভবনের মালিক তিনজন শ্রীলঙ্কান নাগরিককে অবৈধভাবে আশ্রয় দেওয়ার অভিযোগে অভিযুক্ত হন। আদালতে দোষ স্বীকার করার পর তাকে সর্বোচ্চ ১৫ হাজার রিঙ্গিত জরিমানা করা হয়। অভিবাসন আইন ১৯৫৯/৬৩–এর ধারা ৫৫ই অনুযায়ী, প্রতিটি অবৈধ কর্মীর জন্য ৫ হাজার থেকে ৩০ হাজার রিঙ্গিত পর্যন্ত জরিমানার বিধান রয়েছে।
আরও
খাইরুল আমিনুস আরও সতর্ক করে বলেন, বিদেশি কর্মীকে অবৈধভাবে নিয়োগ বা আশ্রয় দেওয়ার অপরাধ প্রমাণিত হলে জরিমানার পাশাপাশি সর্বোচ্চ এক বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডও হতে পারে। প্রয়োজনে দুই শাস্তি একইসঙ্গে কার্যকর করার এখতিয়ার আদালতের রয়েছে।
ইমিগ্রেশন বিভাগ নিয়োগকর্তা, অট্টালিকা মালিক এবং সাধারণ জনগণকে কড়া সতর্কবার্তা দিয়ে জানায়—কোনো অবস্থাতেই বৈধ নথিবিহীন বিদেশিকে আশ্রয়, বাসা ভাড়া বা কর্মসংস্থানের সুযোগ দেওয়া যাবে না। প্রত্যেক কর্মীর নথিপত্র যাচাই নিশ্চিত করা সকলের দায়িত্ব বলেও উল্লেখ করে কর্তৃপক্ষ।











