মালয়েশিয়ার সেলাঙ্গর রাজ্যের ক্লাং সেন্ট্রালে একটি সংঘবদ্ধ অবৈধ পতিতালয় চক্রের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করে চক্রটি ধ্বংস করেছে দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগ। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ ও দুই সপ্তাহের নজরদারির ভিত্তিতে গত ১ ডিসেম্বর গভীর রাতে এই বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে তিনতলা একটি দোকানবাড়ি ঘিরে ফেলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

অভিযানের সময় ভবনে অবস্থানরত ২১ জনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়। এর মধ্যে বৈধ নথিপত্র না থাকায় ১৭ জনকে গ্রেফতার করা হয়, যাদের মধ্যে আটজন বাংলাদেশি পুরুষ এবং নয়জন ভিয়েতনামি নারী। গ্রেফতারকৃতদের বয়স ২১ থেকে ৩২ বছরের মধ্যে। ইমিগ্রেশন বিভাগ জানায়, ভবনটিকে সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা ও আমদানি–রপ্তানি ব্যবসার আড়ালে ব্যবহার করা হচ্ছিল।
আরও


তদন্তে উঠে এসেছে, পুরো কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করতেন ‘ক্যাপ্টেন’ নামে পরিচিত এক বাংলাদেশি নাগরিক। তিনি প্রতিটি খদ্দেরের কাছ থেকে ৫০ থেকে ৮০ রিংগিত পর্যন্ত নিতেন। অন্যদিকে, ভিয়েতনামি নারীরা প্রতিদিন ৪০০ থেকে ৬০০ রিংগিত আয় করতেন। চক্রটির মূল হোতা হিসেবে স্থানীয় এক ব্যক্তি ‘কেভিন’-এর সম্পৃক্ততার সন্দেহ করা হচ্ছে; তাকে ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিদের পুত্রজায়া ইমিগ্রেশন ডিটেনশন ডিপোতে স্থানান্তর করা হয়েছে। মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগ জানিয়েছে, অবৈধ বসবাস, পাসের অপব্যবহার ও মানববাণিজ্যসহ বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে তাদের সারা দেশজুড়ে অভিযান অব্যাহত থাকবে।











