মালয়েশিয়ায় ভুয়া বা চুক্তিভিত্তিক বিয়ে করে অভিবাসন ও ব্যবসায়িক সুবিধা নেওয়ার প্রবণতা রুখতে প্রবাসীদের জন্য কড়া সতর্কবার্তা দিয়েছে দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগ। বিভাগের মহাপরিচালক দাতুক জাকারিয়া শাবান জানিয়েছেন, এ ধরনের বিয়ে প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট বিদেশিদের গ্রেপ্তার করা হবে এবং সাজা শেষে কালো তালিকাভুক্ত করে নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হবে।
তিনি জানান, মালয়েশিয়ায় স্থায়ী বাসিন্দার (পিআর) মর্যাদা, ব্যাংক ঋণ এবং ব্যবসার অনুমতি পেতে কিছু বিদেশি স্থানীয় নারীদের সঙ্গে বিয়ে করছেন। তবে এসব সম্পর্ক বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই টেকে না; সুবিধা নেওয়ার পর স্ত্রীকে তালাক দিয়ে চলে যাচ্ছেন তারা। সমালোচকদের মতে, এ ধরনের প্রতারণা শুধু পারিবারিক মূল্যবোধের পরিপন্থী নয়, বরং রাষ্ট্রের জন্যও হুমকিস্বরূপ।
ইমিগ্রেশন মহাপরিচালক আরও বলেন, পরিবার গঠনের বাইরে অন্য উদ্দেশ্যে বিবাহের মর্যাদা ব্যবহার করা হলে তা কঠোর তদন্তের আওতায় আনা হবে। পাসপোর্ট বা অভিবাসন সুবিধার অপব্যবহারকে গুরুতর অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হবে। সন্দেহজনক ক্ষেত্রে দম্পতিদের হঠাৎ বাসা ও কর্মস্থলে পরিদর্শন, সাক্ষাৎকার এবং নথি যাচাই করা হবে বলে জানান তিনি।
আরও
ইতোমধ্যে ইমিগ্রেশন বিভাগ (জেআইএম) পুলিশ (পিডিআরএম), জাতীয় নিবন্ধন বিভাগ (জেপিএন), জাকিম, রাজ্য ইসলামিক কর্তৃপক্ষ ও অন্যান্য সংস্থার সঙ্গে যৌথ অভিযান শুরু করেছে। তথ্য ভাগাভাগি ও সমন্বিত তদন্তের মাধ্যমে ভুয়া বিবাহ শনাক্ত করে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
মালয়েশিয়া সরকার একাধিকবার সতর্ক করেছে যে, বিয়ে কোনোভাবেই ব্যবসা বা অবৈধ বসবাসের হাতিয়ার নয়। ভুয়া বিয়ের মাধ্যমে সুবিধা নেওয়া হলে কঠোর শাস্তি থেকে রেহাই পাওয়া যাবে না।











