মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে বিশেষ অভিযানে পাসপোর্ট জালিয়াতির সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে পাঁচ বাংলাদেশি নাগরিককে গ্রেফতার করেছে দেশটির অভিবাসন বিভাগ। তাদের বয়স ১৯ থেকে ৪১ বছরের মধ্যে। গ্রেফতারদের মধ্যে দুজনকে মূলহোতা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

গত মঙ্গলবার সকালে কুয়ালালামপুরের জালান জেলাওয়াত ও জালান রাজাক ম্যানশন এলাকার দুটি ভবনে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। পরদিন অভিবাসন বিভাগের মহাপরিচালক দাতুক জাকারিয়া শাবান এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
আরও
তিনি জানান, বিদেশি কর্মীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থা এফওএমইএমএম-এর কাজে ব্যবহারযোগ্য জাল নথি সরবরাহকারী একটি আন্তর্জাতিক চক্রের সন্ধান পাওয়া গেছে। এই চক্র বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, মিয়ানমার, নেপাল ও ইন্দোনেশিয়ার নাগরিকদের কাছ থেকে নথিপ্রতি ১৫০ থেকে ২৫০ রিঙ্গিতের বিনিময়ে জাল পাসপোর্ট সরবরাহ করছিল।
অভিযানে বিপুল পরিমাণ জাল নথি, বিভিন্ন দেশের পাসপোর্ট কভার, ১১টি মোবাইল ফোন, ২১০০ রিঙ্গিত নগদ অর্থ, কাগজ কাটার যন্ত্র, বিভিন্ন কালি, স্বচ্ছ আঠালো কাগজ এবং একটি পেরোডুয়া আরুজ গাড়ি জব্দ করা হয়েছে।
প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, আটক ব্যক্তিদের মধ্যে তিনজন নির্মাণ খাতে অস্থায়ী ভিজিট পাসে কাজ করছিলেন, একজন স্টুডেন্ট পাসে ছিলেন এবং অপরজনের কোনো বৈধ কাগজপত্রই ছিল না। মালয়েশিয়ার অভিবাসন আইন ১৯৫৯/৬৩-এর ৫৬(১) ধারায় তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। অভিবাসন প্রধান জাকারিয়া শাবান জানিয়েছেন, দেশের নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় এ ধরনের জালিয়াতির বিরুদ্ধে কঠোর আইন প্রয়োগ অব্যাহত থাকবে।











