মালয়েশিয়ার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং কুয়ালালামপুরের আকাশচুম্বী অট্টালিকা প্রাচীন ও আধুনিক আকর্ষণের সমন্বয় ঘটায়। এবার দেশটি বিদেশিদের জন্য স্থায়ী বসবাসের সুযোগ প্রদান করছে। বাংলাদেশসহ বিশ্বের যে কোনো দেশের নাগরিক নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করলে এই পারমানেন্ট রেসিডেন্সি (পিআর) ভিসার জন্য আবেদন করতে পারবেন।
পিআর বা স্থায়ী বসবাসের অনুমতি একজন বিদেশি নাগরিককে মালয়েশিয়ায় দীর্ঘমেয়াদি বসবাস, কাজ এবং পড়াশোনার সুযোগ দেয়। যদিও এটি নাগরিকত্বের সমান অধিকার দেয় না, তবে অস্থায়ী ভিসাধারীদের তুলনায় অনেক বেশি সুবিধা প্রদান করে। স্থায়ী বাসিন্দারা স্থানীয়দের মতো স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা এবং ব্যবসায়িক সুবিধা পেয়ে থাকেন।
রেসিডেন্স পাস মূলত তিনটি প্রধান ক্যাটাগরির অধীনে প্রদান করা হয়। প্রথমটি মালয়েশিয়ার নাগরিকের সঙ্গে পারিবারিক সম্পর্ক, যেখানে স্বামী/স্ত্রী, ১৮ বছরের কম বয়সী সন্তান, বাবা-মা এবং শ্বশুর-শাশুড়ি অন্তর্ভুক্ত। দ্বিতীয়টি মালয়েশিয়ার স্থায়ী বাসিন্দার সঙ্গে পারিবারিক সম্পর্ক এবং তৃতীয়টি প্রাক্তন মালয়েশিয়ান নাগরিক।
আরও
আবেদন করতে হলে কিছু শর্ত পূরণ করতে হয়। যেমন, পাসপোর্টের মেয়াদ অন্তত ৬ মাস থাকতে হবে, মালয়েশিয়ায় বৈধ দীর্ঘমেয়াদি পাসধারী হতে হবে এবং নির্দিষ্ট বছরের জন্য দেশটিতে বসবাস করতে হবে। এছাড়া আবেদন অবশ্যই ২১ বছরের বেশি বয়সী একজন মালয়েশিয়ান নাগরিকের স্পনসরশিপে জমা দিতে হবে।
রেসিডেন্স পাসের জন্য আবেদন ফি পাঁচ বছরের জন্য ৫০০ মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় আনুমানিক ১৪,৩৪৬ টাকা। পাসধারীরা অন্যান্য শর্ত পূরণ করলে কোনো ভিসায় রূপান্তর ছাড়াই মালয়েশিয়ায় কাজ, পড়াশোনা এবং ব্যবসা করতে পারবেন। বিস্তারিত তথ্যের জন্য মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগের ওয়েবসাইট ভিজিট করা যেতে পারে।













