ইরানের লাভান দ্বীপে অবস্থিত একটি তেল শোধনাগারে আকস্মিক হামলার ঘটনা ঘটেছে। আজ বুধবার স্থানীয় সময় সকাল ১০টার দিকে এই হামলা চালানো হয়। এতে এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া না গেলেও স্থাপনাটিতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
ইরানের তেল মন্ত্রণালয়ের নিজস্ব সংবাদমাধ্যম শানার বরাত দিয়ে দেশটির জাতীয় তেল কোম্পানি শোধনাগারে এই হামলার বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছে। কর্তৃপক্ষ জানায়, হামলার পরপরই শোধনাগারটিতে আগুন ধরে যায়। তবে খবর পেয়ে নিরাপত্তা কর্মী ও ফায়ার সার্ভিসের দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে পুরো এলাকাটি নিরাপদ করার কাজ চলমান রয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যে সাম্প্রতিক উত্তেজনার কারণে ইরানে যেকোনো হামলার ক্ষেত্রে স্বাভাবিকভাবেই ইসরায়েলের দিকে অভিযোগের আঙুল ওঠে। তবে এই হামলার সঙ্গে নিজেদের কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলে জানিয়েছে তারা। ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র লেফটেন্যান্ট কর্নেল নাদাভ শোশানি সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্পষ্ট করে বলেন, লাভান দ্বীপের এই হামলার সঙ্গে তাঁরা কোনোভাবেই জড়িত নন।
আরও
এই হামলার পেছনে প্রকৃতপক্ষে কারা রয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের চলমান তীব্র উত্তেজনার মধ্যেই তেল শোধনাগারে এমন হামলা পুরো অঞ্চলে নতুন করে গভীর উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে। কারণ, সাম্প্রতিক সময়ে ইরানে মূলত যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকেই বিভিন্ন সামরিক অভিযান বা হামলা পরিচালনা করতে দেখা গেছে।










