যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি এখন চরম উত্তেজনাকর পর্যায়ে উপনীত হয়েছে। শনিবার ভোরে ইরানের রাজধানী তেহরানসহ অন্তত পাঁচটি প্রধান শহরে এই আকস্মিক হামলার পর যেকোনো মুহূর্তে পুরো অঞ্চল এক ভয়াবহ রণক্ষেত্রে পরিণত হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ইরানের উচ্চপদস্থ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তারা এই আগ্রাসনের কঠোর জবাব দেওয়ার জন্য ব্যাপক প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছেন।
এদিন ভোরে তেহরানের পাশাপাশি কেরমানশাহ, লোরেস্তান, তাবরিজ, ইসফাহান ও কারাজ শহরে একের পর এক শক্তিশালী বিস্ফোরণ ঘটে। বিশেষ করে তেহরান বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানার ঘটনায় সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। দেশের গুরুত্বপূর্ণ ও কৌশলগত শহরগুলোতে এমন নজিরবিহীন হামলার পর পুরো ইরানজুড়েই এখন যুদ্ধের দামামা বাজছে।
হামলার পর পরই তীব্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছে তেহরান। আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইরানের এক শীর্ষ কর্মকর্তা হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন, এই হামলার জবাব হবে অত্যন্ত কঠোর। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিয়েছেন যে, এমন আগ্রাসনের জন্য শত্রুপক্ষকে এমন চরম মূল্য চোকাতে হবে, যা তাদের কল্পনারও অতীত।
আরও
এদিকে, পরিস্থিতির ভয়াবহতা ও নিরাপত্তার বিষয়টি গভীরভাবে বিবেচনায় নিয়ে ইরান সরকার পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত দেশের আকাশসীমা সম্পূর্ণভাবে বন্ধ ঘোষণা করেছে। ইরানের সিভিল এভিয়েশন অর্গানাইজেশনের মুখপাত্র মাজিদ আখভান মেহের নিউজ এজেন্সিকে জানিয়েছেন, মূলত দেশের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং সামরিক প্রস্তুতির অংশ হিসেবেই সব ধরনের বেসামরিক বিমান চলাচল সাময়িকভাবে স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।










