বিমান বহরে নতুন করে ১১টি যাত্রীবাহী বিমান যুক্ত হয়েছে। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ইরানের বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থার প্রধান হোসেইন পুরফারজানেহ। দেশটির আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম এই খবর প্রকাশ করেছে।
রোববার (৫ অক্টোবর) ১৩টি পরিবহন-সংক্রান্ত প্রকল্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পুরফারজানেহ জানান, এই উদ্যোগগুলোর মোট ব্যয় ১২৪.৮ মিলিয়ন ডলার এবং এর মূল লক্ষ্য হলো দেশব্যাপী বিমান পরিষেবার মান উন্নয়ন ও পরিবহন নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ।
তিনি আরও জানান, নতুন সংযোজনের মধ্যে রয়েছে ১১টি যাত্রীবাহী বিমান, একটি হেলিকপ্টার এবং ১৯টিরও কম আসন বিশিষ্ট পাঁচটি বিমান। এভাবে ইরানের বিমান চলাচলের সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। নতুন বিমানের সংযোজনের ফলে জাতীয় বহরে আরও দুই হাজার ৫৩২টি যাত্রী আসন যুক্ত হয়েছে।
আরও
ইরানের আইনপ্রণেতারা বলছেন, দীর্ঘদিন ধরে আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার কারণে দেশটি তার পুরানো বিমান বহর আধুনিকীকরণের ক্ষেত্রে সমস্যার মুখোমুখি ছিল। এ বছরের শুরুতে তেল সম্পর্কিত চুক্তির মাধ্যমে ইরান চীনের কাছ থেকে কয়েকটি ব্যবহৃত এয়ারবাস এ৩৩০ বিমান গ্রহণ করেছিল।
সেপ্টেম্বরের শেষের দিকে জানা যায়, রাশিয়ার মিগ-২৯ যুদ্ধবিমানও ইরানে পৌঁছেছে। এছাড়া দেশটির কর্মকর্তারা মস্কোর সঙ্গে বৃহত্তর প্রতিরক্ষা ও বিমান পরিবহন সহযোগিতার অংশ হিসেবে সুখোই এসইউ-৩৫ এবং আরও রাশিয়ান-নির্মিত বিমান আনার বিষয়েও আলোচনা করছেন।












