যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ভোগ করছেন, তবু বিয়ের পিঁড়িতে বসতে তাঁর জন্য ১২ ঘণ্টার প্যারোল মঞ্জুর করা হয়েছিল। ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের হরিয়ানায়। সেখানে কড়া পুলিশি পাহারায় একটি ফার্মহাউসে ৫০০ অতিথির উপস্থিতিতে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সারেন মাইনপাল ধিল্লা নামের এক গ্যাংস্টার। তবে ১২ ঘণ্টার প্যারোলের মেয়াদ শেষ হওয়ায় বৃহস্পতিবার রাত আটটায় তাঁকে আবারও কারাগারে ফিরে যেতে হয়।
হিন্দুস্তান টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আর দশটা সাধারণ বিয়ের মতোই ফার্মহাউসে দুপুরের খাবারে ৫০০ অতিথির এলাহি আয়োজন ছিল। ছিল বিয়ের সব প্রচলিত রীতিও। তবে ব্যতিক্রম ছিল শুধু বরের ক্ষেত্রে। কারণ, বর নিজেই একজন সাজাপ্রাপ্ত আসামি। ঝাঝর–গুরগাঁও সড়কের পাশে অবস্থিত দুলিনা ফার্মে এই বিয়ের অনুষ্ঠানে নিরাপত্তার কোনো ঘাটতি ছিল না। অনুষ্ঠানস্থলটি ঝাঝর কারাগার থেকে মাত্র দেড় কিলোমিটার দূরে অবস্থিত, যেখানে ধিল্লা বর্তমানে সাজা ভোগ করছেন। পুরো অনুষ্ঠানে অন্তত ১০০ পুলিশ সদস্য মোতায়েন ছিলেন।
বিয়ের কনে মেটা চানমিয়া একজন কম্বোডিয়ার নাগরিক। ধারণা করা হয়, ২০১৮ সালে তাঁদের প্রথম পরিচয়। ওই সময় প্যারোলে মুক্তি পেয়ে ধিল্লা ভারতে না ফিরে সোজা কম্বোডিয়ায় পালিয়ে যান। এরপর থেকেই তাঁদের মধ্যে সম্পর্ক গড়ে ওঠে। তাঁদের তিন সন্তানও রয়েছে। ২০২৫ সাল পর্যন্ত তাঁরা কম্বোডিয়ার সিয়াম রিপ শহরে একসঙ্গেই বসবাস করতেন। তবে ওই বছর কম্বোডিয়া কর্তৃপক্ষ ধিল্লাকে পুনরায় গ্রেপ্তার করে এবং তাঁকে আবারও ভারতে ফেরত পাঠায়।
আরও
জানা গেছে, মাইনপাল ধিল্লা ঝাঝর জেলার বাদলি গ্রামের বাসিন্দা। ২০০৭ সালে বাহাদুরগড়ে দায়ের হওয়া একটি মামলায় তিনি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ভোগ করছেন।










