ভারতের উত্তর প্রদেশের গ্রেটার নয়ডা এলাকায় এক বাংলাদেশি যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে স্থানীয় পুলিশ। মৃতের নাম শাহারিয়ার। তিনি ফারিদাবাদের সিরসাগঞ্জের বাসিন্দা ও নয়ডা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী বলে জানা গেছে। শনিবার রাতে সংশ্লিষ্ট ফ্ল্যাটের মালিক মরদেহটি প্রথম দেখতে পান।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শাহারিয়ার গত ১৭ নভেম্বর এক নারী বান্ধবীর সঙ্গে বেটা-১ এলাকার একটি ফ্ল্যাট ভাড়া নেন। তিনি ওই নারীকে নিজের স্ত্রী বলে পরিচয় দিয়েছিলেন এবং মাসিক ১৬ হাজার রুপি ভাড়ায় সেখানে ওঠেন। তবে ২১ নভেম্বর নারী সঙ্গী ফ্ল্যাট ত্যাগের পর থেকে শাহারিয়ারের সঙ্গে আর যোগাযোগ পাওয়া যাচ্ছিল না। সন্দেহ হলে বাড়িওয়ালা ফ্ল্যাটে গিয়ে জানালা দিয়ে তাকিয়ে দেখতে পান তিনি সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলে আছেন।
প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের ধারণা, এটি আত্মহত্যার ঘটনা। ময়নাতদন্তে মরদেহে কোনো আঘাতের চিহ্ন বা সন্দেহজনক কিছু পাওয়া যায়নি। তদন্ত–সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা জানান, শাহারিয়ার বিবাহিত ছিলেন এবং তাঁর স্ত্রী বাংলাদেশে থাকেন। প্রায় দুই বছর আগে পরিবারকে না জানিয়েই তিনি দেশ ছাড়েন এবং ভারতে অবস্থান করছিলেন বলে জানা গেছে।
আরও
পুলিশ জানায়, ফ্ল্যাটের ভেতরের সব জিনিসপত্র অক্ষত ছিল এবং কোনো জোরপূর্বক প্রবেশের প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তদন্ত কর্মকর্তারা ধারণা করছেন, ব্যক্তিগত সম্পর্কে টানাপড়েন বা বান্ধবীর সঙ্গে মতবিরোধের জেরে এ ঘটনা ঘটতে পারে। এ ঘটনায় বান্ধবীর অবস্থান খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে।
ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে এবং মরদেহটি বাংলাদেশে পাঠানোর বিষয়ে ভারতের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও বাংলাদেশ দূতাবাসের সঙ্গে সমন্বয় করা হচ্ছে। ঘটনার বিস্তারিত তদন্ত অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছেন বেটা-২ থানার স্টেশন হাউস অফিসার বিনোদ কুমার।











