ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে পারিবারিক কলহের জেরে স্বামী অরুন মিয়াকে (৭০) হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্ত্রীর বিরুদ্ধে।
মঙ্গলবার (১ অক্টোবর) রাত দশটার দিকে উপজেলার ফরদাবাদ গ্রামের একটি সেপটিক ট্যাংক থেকে নয়টি ব্যাগে মোড়ানো মরদেহের ১১টি খণ্ডিত অংশ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত অরুন মিয়া ফরদাবাদ গ্রামের মৃত সুরুজ বেপারীর ছেলে।
এ ঘটনায় স্ত্রী মোমেনা বেগম ও মেয়ে লাকী আক্তারকে আটক করেছে পুলিশ। মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
আরও
এ ঘটনায় মঙ্গলবার রাতে প্রথম স্ত্রীর ছেলে লুৎফর রহমান রুবেল বাদী হয়ে সৎ মা মোমেনা বেগম ও সৎ বোন লাকি আক্তারকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।
বাঞ্ছারামপুর মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সুজন কুমার পাল জানান, পারিবারিক কলহের জেরে দ্বিতীয় স্ত্রী মোমেনা বেগম অরুণ মিয়াকে মাথায় আঘাত করলে তার মৃত্যু হয়। মোমেনা মরদেহ ৯ টুকরো করে নয়টি পলিথিনে বেধে পার্শ্ববর্তী সৌদি প্রবাসী মনির মিয়ার সেপটিক ট্যাংকে ফেলে দেন। মঙ্গলবার রাতে গন্ধ বের হওয়ায় এলাকাবাসী সেপটিক ট্যাংকে পলিথিন দেখে পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ অরুণ মিয়ার খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করে।
এ ঘটনায় তার দ্বিতীয় স্ত্রী মোমেনা বেগম ও তার মেয়ে লাকিকে আটক করে থানায় আনা হয়েছে। মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলেও জানান তিনি।











