ওমান প্রবাসী ইয়াসিন চৌধুরীর বাড়িতে হামলা, ভাংচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় জড়িত অপরাধীদের দ্রুত গ্রেফতারের নির্দেশনা দিয়েছে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়। মঙ্গলবার (১ অক্টোবর) মন্ত্রণালয়ের উপসচিব সারোয়ার আলম স্বাক্ষরিত এ বিষয়ক একটি চিঠি চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার বরাবর পাঠানো হয়। চিঠিতে দায়েরকৃত মামলায় অভিযুক্ত আসামীদেরকে দ্রুত গ্রেফতার করে বিচারের আওতায় আনার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

অভিযোগের বরাতে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, মামলার প্রধান আসামী আজিজুল হক একজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। তার বিরুদ্ধে রাউজান থানায় হত্যা, অস্ত্র, অপহরণ, ডাকাতিসহ ১২ টির অধিক মামলা রয়েছে এবং ২০০২ সালের ১১ এপ্রিল রাউজানের হিংলায় বৌদ্ধ অনাথ আশ্রমের পরিচালক জ্ঞান জ্যোতি ভিক্ষুকে নির্মমভাবে গলা কেটে হত্যা করে সে। প্রতক্ষ্যদর্শীদের ভাষ্যমতে, সোমবার ইয়াসিন চৌধুরীর বাড়িতে চালানো হামলারও নেতৃত্বে ছিলেন আজিজুল হক।
আরও
চিঠিতে বলা হয়, ইয়াছিন চৌধুরী গত ৩০ বছর ধরে কর্মসূত্রে ওমানে বসবাস করছেন। তিনি বাংলাদেশে বৈধ পথে রেমিট্যান্স প্রেরণ এবং বিনিয়োগ বৃদ্ধির লক্ষে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সভা, সেমিনার, রোড শো, বিজনেস সামিট এর মতো বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে বৈদেশিক কর্মসংস্থান বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন। তাছাড়া অসহায় প্রবাসীদের নানাভাবে আর্থিক সহযোগিতা প্রদান, মৃতদেহ দেশে প্রেরণ ও প্রবাসীদের ছেলেমেয়েদের পড়াশোনার সুবিধার্থে বিদেশে বাংলাদেশি স্কুল প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন তিনি। পাশাপাশি বৈধ পথে রেমিট্যান্স পাঠিয়ে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখায় বাংলাদেশ সরকার তাকে পরপর ১০ বার বাণিজ্যিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি নির্বাচিত করে।
গত সোমবার চট্টগ্রাম সমিতি ওমানের সভাপতি ইয়াসিনের রাউজানের বাড়িতে লুটপাটের পর আগুন ধরিয়ে দেয় একদল দুর্বৃত্ত। এরপর আজিজুল হককে প্রধান অভিযুক্ত করে অজ্ঞাতপরিচয় ৫০-৬০ জনকে আসামী করে মামলা দায়ের করা হয়।


এ বিষয়ে বুধবার (২ অক্টোবর) রাউজান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মীর মাহবুবুর রহমান প্রবাস টাইমকে জানান, আজিজুল হকসহ অপর আসামীদের গ্রেপ্তারে তারা টিম করে অভিযান চালাচ্ছেন। অতিদ্রুত অপরাধীদের আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে।











