সর্বশেষ

বাংলাদেশের নতুন প্রেক্ষাপট বিশ্বসভায় তুলে ধরার বড় সুযোগ

B9858cf528a16878e03b779a6092983cc1e0ea79b28125f3City ads Investment (1)

জাতিসংঘে বাংলাদেশের সদস্যপ্রাপ্তির ৫০ বছর, অন্যদিকে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পরবর্তী নতুন প্রেক্ষাপট- এই দুই বাস্তবতায় এবারের জাতিসংঘ অধিবেশনকে বেশ তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে বাংলাদেশের জন্য।

জাতিসংঘের প্রধান নীতিনির্ধারণী প্ল্যাটফর্ম সাধারণ পরিষদ, যেখানে সব সদস্য রাষ্ট্র প্রতিনিধিত্ব করে সমান মর্যাদা নিয়ে। ১০ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে শুরু হয়েছে ৭৯তম সাধারণ অধিবেশন।

বৈশ্বিক এ সম্মেলনে যোগ দিতে সোমবার (২৩ সেপ্টেম্বর) ভোরে ঢাকা থেকে নিউইয়র্কর উদ্দেশে রওনা দেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। আর তিনি এমন এক পরিস্থিতিতে জাতিসংঘে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করছেন, যার মাত্র দেড় মাস আগে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর সরকারপ্রধানের দায়িত্ব নিয়েছেন। একইসঙ্গে জাতিসংঘে বাংলাদেশের সদস্যপ্রাপ্তির ৫০ বছর পূর্তির কারণেও বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে এবারের সম্মেলন।

এবারের জাতিসংঘ অধিবেশনে বক্তব্য রাখার পাশাপাশি মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনসহ বিশ্বনেতাদের সঙ্গে বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে ড. ইউনূসের। বিশ্লেষকরা মনে করেন, বাংলাদেশের পরিবর্তিতিত পরিস্থিতি বিশ্বসভায় তুলে ধরার ক্ষেত্রে বড় সুযোগ এবারের জাতিসংঘ সম্মেলন।

সাবেক রাষ্ট্রদূত এম হুমায়ুন কবির গণমাধ্যম কে বলেন,
বড় ধরনের একটা লম্বা সময়ের জন্য গণতন্ত্রের নামে একটা কর্তৃত্ববাদী সরকার তৈরি হয়েছিল। আন্দোলনের মুখে সেটার পতন হওয়ার পর একটা নতুন সরকার গঠন হয়। এই যে প্রেক্ষাপটটা কারণ পৃথিবীতে সরকার পরিবর্তন হয় দুইভাবে। সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে হয় অথবা নির্বাচনের মাধ্যমে হয়। তিনি (ড. মুহাম্মদ ইউনূস) অনেক সংস্কারমূলক কর্মসূচি নিয়েছেন। ভবিষ্যতে গণতান্ত্রিক উত্তরণের জন্য নির্বাচন প্রক্রিয়ায় যাওয়ার জন্য তার সরকার কী কী কাজ করবে, এর একটা রূপরেখা হয়ত তিনি দেবেন। এর মাধ্যমে তিনি বাইরের দেশের কাছ থেকে আমাদের যতটুকু সহযোগিতা দরকার, সেটা চাইবেন।

সাধারণ অধিবেশনে যোগ দিতে প্রধান উপদেষ্টা ঢাকা ছাড়ার আগের দিন ড. ইউনূসকে বাংলাদেশে জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়ক জানিয়েছিলেন, পুলিশ ও নির্বাচন ব্যবস্থাসহ গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারে সহায়তা দেবে সংস্থাটি।

বিশ্লেষকরা বলছেন, বাংলাদেশে সংস্কার, জুলাই হত্যাকাণ্ডের তদন্ত, অর্থনৈতিক সহযোগিতা, রোহিঙ্গা ইস্যুসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বৃহৎ পরিসরে আলোচনার সুযোগ করে দেবে এবারের জাতিসংঘ সম্মেলন।

বাংলাদেশকে নির্বাচন প্রক্রিয়া, পুলিশ সংস্কার এবং প্রশাসনকে পুনর্গঠনের কাজে সহায়তা করতে পারে ইউএনডিপি (জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি)। ইতোমধ্যেই তারা বিভিন্ন জায়গায় এ ধরনের কাজ করেছে। সেটা আরও বাড়ানো যেতে পারে। কারণ এই মুহূর্তে তো এটা আমাদের জন্য প্রয়োজন বেশি। এই বিষয়গুলো আলোচনা হবে এবং সর্বোচ্চ পর্যায়ে আলোচনা হলে এই বিষয়টা গতি লাভ করবে।

এছাড়া নিউইয়র্কে ভারতের পররাষ্ট্রমত্রীর সঙ্গে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র উপদেষ্টার বৈঠক প্রতিবেশী দুই দেশের সম্পর্ক স্বাভাবিক করার ক্ষেত্রে সহায়ক হতে পারে বলেও মত বিশ্লেষকদের।

আরও দেখুন

whatsappচ্যানেল ফলো করুন

প্রবাস টাইমে লিখুন আপনিও। প্রবাসে বাংলাদেশি কমিউনিটির নানা আয়োজন, ঘটনা-দুর্ঘটনা, প্রবাসীদের সুযোগ-সুবিধা, সমস্যা-সম্ভাবনা, সাফল্য, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের খবর, ছবি ও ভিডিও আমাদের পাঠাতে পারেন news@probashtime.com মেইলে।

Probashir city Popup
Probashir city Squre Popup