কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনকারীদের ওপর ছাত্রলীগের হামলার প্রতিবাদে রাজধানী ও আশপাশের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক অবরোধ করেছেন বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজের শিক্ষার্থীরা। ফলে দীর্ঘক্ষণ ধরে এসব এলাকায় যানবাহন আটকে আছে। সৃষ্টি হয়েছে যানবাহনের লম্বা লাইন। যানজটের কারণে বিমান যাত্রীদেরও সড়কে সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। তাই প্রবাসী বিমান যাত্রীদের হাতে সময় নিয়ে বের হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
এর আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি ঘোষণা করে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারী ও ছাত্রলীগ। মঙ্গলবার সারা দেশের সব ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ সমাবেশ ডেকেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। তাদের এই ঘোষণার কিছুক্ষণ পরই ঢাবিসহ দেশের প্রতিটা ক্যাম্পাসে প্রতিবাদ সমাবেশের ডাক দেয় ছাত্রলীগ।
সোমবার রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদুল্লাহ হলের সামনে এক সংবাদ সম্মেলনে কর্মসূচি ঘোষণা দিয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক নাহিদুল ইসলাম বলেন, সোমবার পরিকল্পিতভাবে বহিরাগতদের এনে আমাদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে। তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর থাকার পরও বহিরাগতরা এসে কীভাবে হামলা করে? অন্যদিকে নেতাকর্মীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে মঙ্গলবার দুপুর দেড়টায় রাজু ভাস্কর্যের সামনে প্রতিবাদ সমাবেশের ডাক দিয়েছে ছাত্রলীগ। পাশাপাশি দেশের প্রতিটি ক্যাম্পাসে একই সময়ে প্রতিবাদ সমাবেশ পালনেরও ঘোষণা দিয়েছে সংগঠনটি।
আরও
বিক্ষোভ কর্মসূচির আগেই অবরোধে বিভিন্ন এলাকায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। অনেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নগরবাসীকে ওইসব এলাকা এড়িয়ে চলতে বলছেন।
আরও দেখুনঃ












