যুক্তরাষ্ট্রের ‘ভিসা বন্ড’ (জামানত) পাইলট প্রোগ্রাম নিয়ে বাংলাদেশিদের জন্য কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা জানিয়েছে ঢাকার মার্কিন দূতাবাস। দূতাবাসের তথ্য অনুযায়ী, ভিসা ইন্টারভিউ শেষে আবেদনকারী যোগ্য বিবেচিত হলে কনসুলার কর্মকর্তা নির্দিষ্ট নির্দেশনা ও Pay.gov–এর মাধ্যমে বন্ড পরিশোধের লিংক দেবেন। অনুমোদনের পর ৩০ দিনের মধ্যে বন্ড পরিশোধ সম্পন্ন করতে হবে।
দূতাবাস আরও জানিয়েছে, এই কর্মসূচির আওতায় বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রে ভিসা দেওয়া হবে সর্বোচ্চ তিন মাস মেয়াদি এবং একবার প্রবেশযোগ্য (single-entry)। অর্থাৎ, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে একবারই যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করা যাবে এবং মেয়াদ/শর্ত ভঙ্গ হলে বন্ড ফেরত পাওয়ার ক্ষেত্রে জটিলতা তৈরি হতে পারে।
এ ছাড়া ‘ভিসা বন্ড’ প্রদানকারী যাত্রীদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট তিনটি পোর্ট অব এন্ট্রি ব্যবহারের শর্তের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। এগুলো হলো— বোস্টন লোগান (BOS), নিউইয়র্কের জন এফ কেনেডি (JFK) এবং ওয়াশিংটন ডালেস (IAD) বিমানবন্দর।
আরও
দূতাবাসের ভাষ্য, ভিসার শর্ত যথাযথভাবে পালন করলে—বিশেষ করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ত্যাগসহ সব নিয়ম মানলে—বন্ড স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে অর্থ ফেরত দেওয়ার বিধান রয়েছে। এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য হলো ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পর অবৈধভাবে থেকে যাওয়ার প্রবণতা (overstay) নিরুৎসাহিত করা।
উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্রের এই পাইলট নীতিমালায় নির্দিষ্ট দেশগুলোর নাগরিকদের ক্ষেত্রে পর্যটন/ব্যবসা ভিসায় ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত বন্ড আরোপ হতে পারে—যা আবেদনকারীর পরিস্থিতি ও কনসুলার সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে।












