চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে ওমানপ্রবাসীর স্ত্রী আয়েশা সিদ্দীকা (১৯)-এর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার সকাল ১১টার দিকে নিজ কক্ষ থেকে তাঁর লাশ উদ্ধার করা হয়। আয়েশা সিদ্দীকা ফটিকছড়ির সুন্দরপুর ইউনিয়নের পশ্চিম আজিমপুর এলাকার সেকান্দার মাঝির বাড়ির প্রবাসী লিয়াকত আলীর স্ত্রী।

স্থানীয়দের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সকালে আয়েশার ঘরের দরজা দীর্ঘক্ষণ বন্ধ দেখে পরিবারের সদস্যরা সন্দেহে পড়েন। ডাকাডাকি করেও সাড়া না পেয়ে দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করলে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় তাঁর নিথর দেহ দেখতে পান। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার করে। এ সময় কক্ষ থেকে একটি চিরকুটও উদ্ধার করা হয়, যেখানে লেখা ছিল— “আমাকে মাফ করে দিবেন সবাই। এমন মানুষের সঙ্গে সংসার করার চাইতে আমি নিজেই মরে যাওয়া ভালো।”
আরও
পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা জানান, তিন বছর আগে আয়েশার বিয়ে হয় লিয়াকত আলীর সঙ্গে। তিন মাস আগে লিয়াকত ওমানে পাড়ি জমান। তাদের দাবি, লিয়াকত ও তাঁর পরিবার শান্তস্বভাবের হলেও আয়েশা কিছুদিন ধরে মানসিক অস্থিরতায় ভুগছিলেন। তবে এলাকাবাসীর একটি অংশ বিষয়টিকে রহস্যজনক মনে করে এটিকে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলেও সন্দেহ প্রকাশ করছেন।
ফটিকছড়ি থানার তদন্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম বলেন, লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে মুষ্টিবদ্ধ হাত, জিহ্বা বের হয়ে থাকা এবং গলায় ফাঁসের দাগ—সবকিছুই আত্মহত্যার ইঙ্গিত দেয়। তবে নিহতের পরিবার বিষয়টিকে হত্যাকাণ্ড দাবি করলেও এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।











