দীর্ঘদিন সীমিত আকারে কেবল সরকারি খাতে বাংলাদেশি কর্মী নেওয়ার অনুমতি থাকলেও এবার বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকেও নির্দিষ্ট শর্তে কর্মী নিয়োগের অনুমতি দিয়েছে মালদ্বীপ সরকার। নতুন এই সিদ্ধান্তের ফলে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ আবারও বিস্তৃত হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এ বিষয়ে দালালদের মাধ্যমে অযথা অর্থ ব্যয়ের বিপক্ষে সতর্ক করেছে মালদ্বীপে বাংলাদেশ হাইকমিশন।
২০২৩ সালের ডিসেম্বর মাসে মালদ্বীপে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য ভিসা প্রক্রিয়া পুনরায় চালু হয়েছিল। তবে কিছুদিন পরই অনিয়ম, দালালি ও অবৈধ নিয়োগ বৃদ্ধির অভিযোগে ভিসা ইস্যু বন্ধ করা হয়। পরবর্তীতে কর্মী সংকট দেখা দিলে কঠোর নীতিমালা অনুসরণ করে শুধুমাত্র সরকারি প্রয়োজনে সীমিত সংখ্যক কর্মী নেওয়ার অনুমতি দেয় মালদ্বীপ সরকার।
সরকারি কোটা অনুযায়ী ২০২৩ সালের নভেম্বর থেকে ২০২৫ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত মোট ১৭ হাজার ৩৯ জন বাংলাদেশি কর্মী ওয়ার্ক পারমিট পেয়েছেন। হাইকমিশনের মতে, দালালদের অসাধু কার্যকলাপ ও প্রতারণার কারণে অনেক বৈধ প্রার্থী এই সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়েছেন।
আরও
নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, কোটা পদ্ধতির পরিবর্তে এখন থেকে নিয়মিত ফি পরিশোধকারী বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে ১০ জনের বেশি বাংলাদেশি কর্মী নেওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে। এতে মালদ্বীপে বৈধভাবে কর্মরত বাংলাদেশি উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ীরা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। হাইকমিশন সংশ্লিষ্ট সবাইকে ভিসা ও নিয়োগ প্রক্রিয়ায় বৈধ চ্যানেল ব্যবহারের আহ্বান জানিয়েছে।
এদিকে দেশটিতে ‘অপারেশন কুরাঙ্গী’ নামে অবৈধ অভিবাসনবিরোধী অভিযান অব্যাহত রয়েছে। রমজান মাসেও এই অভিযান থামেনি। এখন পর্যন্ত ৭,৩৭৫ জনের ওয়ার্ক পারমিট বাতিল করা হয়েছে এবং ৬,৩১৫ জনকে নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে বলে মালদ্বীপ কর্তৃপক্ষ জানায়।








