থাইল্যান্ডে ভ্রমণ ইচ্ছুক বাংলাদেশিদের মধ্যে ভিসা দ্রুত পাওয়ার আশায় বিভিন্ন এজেন্সির কাছে ছুটে যাওয়ার প্রবণতা বাড়ছে। সাম্প্রতিক সময়ে ঢাকায় অবস্থিত থাই দূতাবাসের নজরে এসেছে যে কিছু এজেন্সি মাত্র ২–৩ ঘণ্টায় থাই ই–ভিসা অনুমোদনের নিশ্চয়তা দেওয়ার বিজ্ঞাপন দিচ্ছে। দূতাবাস স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে—এ ধরনের দাবি সম্পূর্ণ ভুয়া এবং বিভ্রান্তিকর।
সোমবার প্রকাশিত এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে থাই দূতাবাস জানায়, ভিসা অনুমোদন কোনোভাবেই এজেন্সির মাধ্যমে নির্দিষ্ট করে দেওয়া সম্ভব নয়। ই–ভিসার আবেদনসমূহ থাইল্যান্ড সরকারের নির্ধারিত নিয়ম অনুসারে কঠোরভাবে যাচাই–বাছাই করা হয় এবং এই প্রক্রিয়া নির্দিষ্ট সময়ের আগে শেষ করা সম্ভব নয়।
দূতাবাস আরও জানায়, কারও কাছে দ্রুত অনুমোদনের প্রতিশ্রুতি নেওয়া আবেদনকারীদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ ও বিভ্রান্তিকর হতে পারে। ভুয়া বা প্রতারণামূলক প্রতিশ্রুতির মাধ্যমে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার ঘটনা এড়াতে আবেদনকারীদেরকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে তারা।
আরও
থাই দূতাবাস স্পষ্টভাবে বলেছে, ই–ভিসা প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ কেন্দ্রীয় অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে পরিচালিত হয় এবং অনুমোদনের সময়সীমা আবেদনকারীর নথিপত্র যাচাই, ভ্রমণের উদ্দেশ্য এবং নিরাপত্তা মূল্যায়নের ওপর নির্ভর করে। ফলে কয়েক ঘণ্টার মধ্যে ভিসা অনুমোদন কোনোভাবেই বাস্তবসম্মত নয়।
দূতাবাস আবেদনকারীদের পরামর্শ দিয়েছে যাতে তারা শুধুমাত্র অফিসিয়াল ই–ভিসা পোর্টাল ব্যবহার করেন এবং কোনো বেসরকারি এজেন্সির অবাস্তব সেবা বা দ্রুত ভিসা নিশ্চয়তার প্রলোভনে না পড়েন। এতে ভ্রমণকারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে এবং প্রতারণামূলক চক্রের ফাঁদ থেকেও রক্ষা পাওয়া যাবে।









