ভিসার জন্য আবেদনকারীদের কঠোরভাবে সতর্ক করেছে হাইকমিশন। মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর) ঢাকার ব্রিটিশ হাইকমিশনের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে জানানো হয়—ভিসা আবেদনে জাল বা ভুয়া কাগজপত্র ব্যবহার করলে আবেদনকারীকে সর্বোচ্চ ১০ বছরের ভিসা নিষেধাজ্ঞা ভোগ করতে হতে পারে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ভিসার জন্য আবেদন করার সময় অবশ্যই শতভাগ বৈধ ও সত্যনিষ্ঠ তথ্য প্রদান করতে হবে। জালিয়াতি, ভুয়া ব্যাংক স্টেটমেন্ট, ভুয়া কর্মসংস্থান–সংক্রান্ত কাগজপত্র বা ভুয়া আমন্ত্রণপত্র জমা দিলে তা সরাসরি যুক্তরাজ্যের ভিসা নিয়ম লঙ্ঘন হিসেবে বিবেচিত হবে। এতে কেবল ভিসা প্রত্যাখ্যানই নয়, ভবিষ্যতে দীর্ঘমেয়াদি নিষেধাজ্ঞাও আরোপ হতে পারে।
হাইকমিশন আরও জানায়, প্রতারণার মাধ্যমে কেউ ভিসা পাওয়ার চেষ্টা করছে বা জাল কাগজপত্র তৈরি করছে—এমন তথ্য জানা গেলে তা স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকেও জানানো উচিত। এতে ভিসা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নিরাপত্তা বজায় থাকবে।
আরও


যুক্তরাজ্যে অধ্যয়ন, চিকিৎসা, ব্যবসা বা পর্যটনসহ বিভিন্ন উদ্দেশ্যে প্রতি বছর হাজারো বাংলাদেশি ভিসার জন্য আবেদন করেন। তাই হাইকমিশন ভ্রমণপ্রত্যাশী সবাইকে সতর্ক করে বলেছে, ভুয়া কাগজপত্র জমা দিয়ে ঝুঁকি নেবেন না। বরং প্রকৃত নথিপত্র জমা দিয়ে সঠিক প্রক্রিয়ায় আবেদন করলে ভিসা পাওয়ার সম্ভাবনাই বেশি থাকে।
ভিসা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা, সততা ও নিয়ম মেনে চলার ওপরই জোর দিয়েছে ব্রিটিশ হাইকমিশন।









