নিজের ফেসবুক পোস্টে যে লাশবাহী স্পিডবোট চালুর খবর দিয়ে স্বস্তি প্রকাশ করেছিলেন ওমান প্রবাসী মোহাম্মদ আমীন, গত শনিবার রাতে তাঁর লাশ বহনের মধ্য দিয়েই সেটির যাত্রা শুরু হয়। গত ৮ অক্টোবর ওমানে সড়ক দুর্ঘটনায় আমীনসহ সন্দ্বীপের সাত প্রবাসী নিহত হন। গতকাল রাতে তাঁদের লাশ সন্দ্বীপে পৌঁছালে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে।
নিহত মোহাম্মদ আমীন সন্দ্বীপের সারিকাইত ইউনিয়নের বাসিন্দা। তিনি মৃত্যুর মাত্র এক দিন আগে স্পিডবোটটি চালুর খবর ফেসবুকে পোস্ট করেছিলেন। তাঁর বাবা জানান, কিছুদিন পরেই দেশে এসে মেয়ের বিয়ের আয়োজন করার কথা ছিল তাঁর।
নিহত অন্য ছয় প্রবাসী হলেন মো. সাহাবুদ্দিন, মো. বাবলু, মো. রকি, মো. আরজু, মো. জুয়েল ও মোশারফ হোসেন। তাঁদের মধ্যে ছয়জনই অসচ্ছল এবং পাঁচজনের রয়েছে চার থেকে ছয় মাস বয়সী শিশুসন্তান। সাত প্রবাসীর একসঙ্গে বাক্সবন্দী লাশ দেখে স্বজনদের আর্তনাদে পরিবেশ ভারী হয়ে ওঠে।
আরও
আজ রোববার সকালে পূর্ব সন্দ্বীপ উচ্চবিদ্যালয় মাঠে জানাজা শেষে তাঁদের নিজ নিজ গ্রামে দাফন করা হয়। এই মর্মান্তিক ঘটনায় সন্দ্বীপজুড়ে শোকের আবহ বিরাজ করছে।











