চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যেকোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়েছে। বিমানবন্দরের চারপাশে চার স্তরের নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হয়েছে। একই সঙ্গে সমুদ্রবন্দরের আশপাশে সব ধরনের মিছিল, সমাবেশ ও অতিরিক্ত জনসমাগম নিষিদ্ধ করা হয়েছে। বন্দরের মাধ্যমে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়েছে।
বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) দেশের সব বিমানবন্দরে সম্ভাব্য সাইবার হামলা ঠেকাতে সতর্কতা জারি করেছে। শাহ আমানত বিমানবন্দরে ইতিমধ্যেই নিরাপত্তা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। সন্দেহজনক যাত্রীদের পর্যবেক্ষণ জোরদার করা হয়েছে এবং টহল বৃদ্ধি করা হয়েছে।
বিমানবন্দরের সার্বিক নিরাপত্তা তদারকির জন্য বিমানবাহিনী নেতৃত্বাধীন একটি টাস্কফোর্স কাজ করছে। বিমানবন্দরের পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন শেখ আবদুল্লাহ আলমগীর জানান, ফ্লাইট সেফটি ইমপ্লিমেন্টেশন সেন্টারসহ প্রতিটি নিরাপত্তা সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় বজায় রেখে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হচ্ছে।
আরও
পতেঙ্গা এলাকায় বন্দর ও বিমানবন্দরের আশপাশে বসতি এলাকা থাকায় সীমানা প্রাচীর ও নিরাপত্তা জোরদারে আমর্ড ব্যাটালিয়ন পুলিশ ও আনসার সদস্যরা মোতায়েন করা হয়েছে। চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) বন্দর এলাকায় ৩০ দিনের জন্য সব ধরনের মিছিল ও সমাবেশ নিষিদ্ধ করেছে। এতে বারিক বিল্ডিং, নিমতলা বিশ্বরোড, কাস্টমস মোড় ও সল্টগোলা ক্রসিং এলাকায় কার্যকর থাকবে।
নগরীর গুরুত্বপূর্ণ এলাকা—যেখানে বন্দর, বিমানবন্দর, দুটি সরকারি ইপিজেড, তেল স্থাপনা ও শোধনাগার রয়েছে—আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল হিসেবে চিহ্নিত করেছে। পাশাপাশি, বেবিচক দেশের বিমানবন্দরে সাইবার হামলা প্রতিরোধ এবং নিরবচ্ছিন্ন বিমান চলাচল নিশ্চিত করতে ১০ দফা নির্দেশনা জারি করেছে। বিশ্বের বড় বিমানবন্দরে সাম্প্রতিক সাইবার হামলার ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে সতর্ক থাকার জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।










