জাপান থেকে দেশে ফেরার পর রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হয়েছেন প্রবাসী নারী আয়েশা আক্তার। ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে পরিবারের কাছে পৌঁছানোর আগেই তিনি অন্তর্ধান করেন। ঘটনার পরপরই সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়— অসুস্থ অবস্থায় হুইলচেয়ারে বসা আয়েশাকে কয়েকজন অপরিচিত ব্যক্তি একটি অ্যাম্বুলেন্সে করে নিয়ে যাচ্ছে। এতে প্রশ্ন উঠেছে, কীভাবে একজন প্রবাসী নারী বিমানবন্দর থেকে নিখোঁজ হতে পারেন?

পরিবারের দাবি, মানসিক ও শারীরিকভাবে অসুস্থ আয়েশাকে সোমবার রাতে জাপান ইমিগ্রেশনের চারজন কর্মকর্তা ঢাকায় নিয়ে আসেন। রাত ১টা থেকে বোন মুক্তা আক্তার বিমানবন্দরে অপেক্ষা করছিলেন তার জন্য। কিন্তু বহুক্ষণ অপেক্ষার পরও তিনি বোনের কোনো খোঁজ পাননি।
আরও
বাংলাদেশ দূতাবাসের সহায়তায় সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে দেখা যায়— আয়েশাকে কোনো আত্মীয়স্বজন বা কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর না করেই ইমিগ্রেশন কর্মকর্তারা ছেড়ে দেন। এরপর কয়েকজন অচেনা ব্যক্তি তাকে একটি অ্যাম্বুলেন্সে তুলে নিয়ে যায়। তবে সেই অ্যাম্বুলেন্স কোথায় গেছে, এখনো তা অজানা।
পরিবারের সদস্যরা বলছেন, জীবনের সংগ্রাম শেষে আয়েশা দেশে ফিরলেও ঘরে ফেরা হলো না তার। প্রবাস থেকে ফিরে এমন রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হওয়ায় পরিবার ভেঙে পড়েছে।
বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এ ঘটনার দায় এড়িয়ে একে অপরের দিকে আঙুল তুলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। পরিবারের দাবি, দ্রুত আয়েশাকে উদ্ধার করে দোষীদের আইনের আওতায় আনা হোক, যাতে কোনো প্রবাসী নারী আর এমন পরিণতির শিকার না হন।












