হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রবাসীদের সেবার মান উন্নয়নে সাম্প্রতিক সময়ে নেয়া হয়েছে একাধিক উদ্যোগ। প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুলের নেতৃত্বে এসব কার্যক্রম বাস্তবায়িত হচ্ছে। জুলাই বিপ্লবের পর গঠিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নির্দেশনায় বিমানবন্দরে প্রবাসীবান্ধব পরিবেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে চালু করা হয়েছে প্রবাসী ও আগমনী লাউঞ্জ। এখানে প্রবাসীরা বিশ্রাম নেওয়ার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় তথ্য ও সহায়তা পাচ্ছেন।
সেবার মান আরও বাড়াতে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে ১০৭ জন ভলান্টিয়ার, যারা প্রবাসীদের তাৎক্ষণিক সহায়তা দিচ্ছেন। পুরোনো তিনটি প্রবাসী কল্যাণ ডেস্ক অপসারণ করে বহির্গমন ছাড়পত্র যাচাইয়ের দায়িত্ব হস্তান্তর করা হয়েছে ইমিগ্রেশন পুলিশের কাছে, ফলে হয়রানি কমেছে। বর্তমানে প্রবাসী কল্যাণ ডেস্ক পরিচালিত হচ্ছে উপপরিচালক শরিফুল ইসলামের নেতৃত্বে তিন শিফটে।
তবে এসব উন্নয়নমূলক কার্যক্রমের মাঝেই অভিযোগ উঠেছে, বদলি হওয়া কিছু অসন্তুষ্ট কর্মচারী বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে সেবার ধারাবাহিকতায় বাধা সৃষ্টি করছেন। বিএমইটি পরিচালক মাসুদ রানা বলেন, “কিছু কর্মচারী ইচ্ছাকৃতভাবে সামাজিক মাধ্যমে অপপ্রচার চালাচ্ছে, যা প্রবাসীদের বিভ্রান্ত করছে।”
আরও
কর্মকর্তারা জানান, প্রবাসীদের সেবায় রয়েছে রি-এন্ট্রি ভিসা যাচাই, অসুস্থ কর্মীদের চিকিৎসা সহায়তা, মরদেহ পরিবহন, দাফনের জন্য অর্থসহায়তা ও বিনামূল্যে অ্যাম্বুলেন্স সেবা। তারা বলেন, বিভ্রান্তি সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে দ্রুত প্রশাসনিক ব্যবস্থা না নিলে অর্জিত সুনাম ক্ষুণ্ন হবে।










