এয়ারলাইন্স ও ট্রাভেল এজেন্সির যোগসাজশে চতুর্মুখী কারসাজির মাধ্যমে আকাশপথের যাত্রীরা টিকিটের জন্য অতিরিক্ত অর্থ গুনতে বাধ্য হচ্ছেন বলে সরকারের একটি সংস্থার প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। কৃত্রিম সংকট তৈরি, টিকিট ব্লক করা এবং গ্রুপে কিনে উচ্চমূল্যে বিক্রির মতো কৌশলের মাধ্যমে এই প্রতারণা চলছে। সম্প্রতি অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ‘ফ্লাইট এক্সপার্ট’ গ্রাহকদের টাকা আত্মসাৎ করে বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর বিষয়টি আবারও সামনে এসেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, বিদেশি এপিআই ব্যবহার করে অবৈধভাবে টিকিট বিক্রি করে বিদেশে অর্থ পাচার করা হচ্ছে, যা ঢাকা ও কলকাতার মতো নিকটবর্তী শহর থেকে একই গন্তব্যের টিকিটের দামে বিশাল ব্যবধান তৈরি করছে। এই চক্রে কিছু এয়ারলাইন্স, অসাধু ট্রাভেল এজেন্সি এবং বিদেশি বিমান সংস্থার কর্মকর্তারাও জড়িত বলে উল্লেখ করা হয়।
এই নৈরাজ্য বন্ধে সরকার ‘ডিজিটাল ট্রেড অ্যাক্ট’ প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে, যার অধীনে একটি ‘অনলাইন ট্রানজিট পয়েন্ট’ গ্রাহকের অর্থ সুরক্ষিত রাখবে। বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন জানিয়েছেন, ৪৯টি অনলাইন ট্রাভেল এজেন্সিকে শনাক্ত করা হয়েছে এবং এই চক্র ভাঙার কাজ শুরু হয়েছে। ফ্লাইট এক্সপার্টের পলাতক মালিকদের দেশে ফিরিয়ে আনতে ইন্টারপোলের সহায়তা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।









