১৯৭৭ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর, জাপানিজ রেড আর্মির একটি উগ্রপন্থী দল ১৫১ জন আরোহীসহ জাপান এয়ারলাইনসের একটি বিমান ছিনতাই করে ঢাকার তেজগাঁও বিমানবন্দরে অবতরণে বাধ্য করে। এই ঘটনা পরবর্তী সাত দিন ধরে এক রুদ্ধশ্বাস নাটকের জন্ম দেয়, যা একটি ব্যর্থ সামরিক অভ্যুত্থানের কারণে আরও জটিল হয়ে ওঠে।

ছিনতাইকারীরা তাদের কারাবন্দী নয়জন সঙ্গীর মুক্তি এবং ৬০ লাখ ডলার মুক্তিপণ দাবি করে। বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে তৎকালীন বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার ভাইস মার্শাল এ জি মাহমুদ দীর্ঘ সময় ধরে সাহসিকতার সাথে আলোচনা চালিয়ে যান। এই উত্তেজনার মধ্যেই ২ অক্টোবর বিমানবন্দরে একটি রক্তাক্ত কিন্তু ব্যর্থ সামরিক অভ্যুত্থান সংঘটিত হয়, যা পরিস্থিতিকে আরও ঘোলাটে করে তোলে।
আরও
শেষ পর্যন্ত, জিম্মিদের জীবনের কথা বিবেচনা করে জাপান সরকার ছিনতাইকারীদের দাবি মেনে নিতে বাধ্য হয়। কয়েক ধাপে অধিকাংশ জিম্মিকে ঢাকায় মুক্ত করার পর, ছিনতাইকারীরা মুক্তিপণ ও মুক্ত হওয়া সঙ্গীদের নিয়ে আলজেরিয়ার উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করে। সেখানে বাকি জিম্মিদের ছেড়ে দেওয়ার মাধ্যমে এই সংকটের অবসান ঘটে। এই ঘটনায় সফল মধ্যস্থতা করলেও পরবর্তী সময়ে এ জি মাহমুদকে অবসরে যেতে হয়েছিল।











