চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর আবারও ব্যস্ত হয়ে উঠছে। নানা সীমাবদ্ধতা ও অবকাঠামোগত সংকট থাকা সত্ত্বেও যাত্রী সংখ্যা বাড়তে থাকায় বন্ধ হওয়া ফ্লাইটগুলো ফের চালু হচ্ছে। সম্প্রতি ওমানভিত্তিক সালাম এয়ার পুনরায় ফ্লাইট শুরু করেছে। আগামী ২৬ অক্টোবর থেকে আরব আমিরাতের ফ্লাই দুবাইও আবার কার্যক্রম চালু করবে। এ ছাড়া নর্দান চায়নাসহ আরও কয়েকটি আন্তর্জাতিক এয়ারলাইনস এই রুটে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।
গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে সালাম এয়ার এবং ডিসেম্বর মাসে ফ্লাই দুবাই পর্যাপ্ত যাত্রী না পাওয়ায় তাদের কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছিল। তবে বছর ঘুরতেই তারা আবারও ফিরছে। বর্তমানে সালাম এয়ার সপ্তাহে দুটি ফ্লাইট পরিচালনা করছে এবং ফ্লাই দুবাই শিগগিরই সপ্তাহে সাতটি ফ্লাইট চালুর পরিকল্পনা নিয়েছে।
বিমানবন্দরের পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন শেখ আবদুল্লাহ আলমগীর জানান, ইতোমধ্যে কয়েকটি মধ্যপ্রাচ্য ও চীনভিত্তিক এয়ারলাইন্সের সঙ্গে আলোচনা চলছে। আশা করা হচ্ছে, খুব শিগগিরই নতুন ফ্লাইট যুক্ত হবে। চলতি বছরের জুন পর্যন্ত এ বিমানবন্দর থেকে ৪ হাজার ৬১০টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইটে প্রায় ৩ লাখ ৯২ হাজার এবং ৬ হাজার ৬৯০টি অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটে ৩ লাখ ২৩ হাজার যাত্রী পরিবহন করা হয়েছে।
আরও
২৫ বছর আগে অভ্যন্তরীণ থেকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে রূপ নিলেও সে অনুযায়ী সেবার মান বাড়েনি। মাত্র দুটি বোর্ডিং ব্রিজ ও দুটি কনভেয়র বেল্ট দিয়ে বছরে ১৫ থেকে ১৭ লাখ যাত্রী সেবা নেয়ায় সক্ষমতার সংকট প্রকট হয়ে উঠেছে। যদিও সাম্প্রতিক সময়ে শৃঙ্খলা ফেরানো ও সেবার মান কিছুটা উন্নত হওয়ায় যাত্রীদের আস্থা ফিরে আসছে।
তবে ব্যবহারকারীরা অভিযোগ করছেন, প্রতিবেশী দেশের তুলনায় এখানে গ্রাউন্ড চার্জ অনেক বেশি। তাদের মতে, এই চার্জ কমানো হলে আরও অনেক আন্তর্জাতিক এয়ারলাইনস চট্টগ্রাম থেকে ফ্লাইট চালু করবে। চট্টগ্রাম এভিয়েশন ক্লাবের সভাপতি আসিফ চৌধুরী বলেন, “ওমান এয়ার ও স্পাইস জেটও ফিরে আসবে। সালাম এয়ার ও ফ্লাই দুবাই কার্যক্রম বাড়াচ্ছে। নতুন ফ্লাইট যুক্ত করতে হলে অবকাঠামো বাড়ানোর পাশাপাশি চার্জ কমাতে হবে।









