বিশ্বে প্রবাসী মানুষের সংখ্যা আজ আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি। ওয়ার্ল্ড মাইগ্রেশন রিপোর্ট অনুসারে, বর্তমানে বিশ্বের মোট জনসংখ্যার ৩ দশমিক ৬ শতাংশ মানুষ নিজ দেশ ছেড়ে প্রবাসে বসবাস করছেন। উন্নত জীবনযাপন, কর্মসংস্থান ও স্থায়ী হওয়ার সুযোগের আশায় মানুষ বিদেশমুখী হলেও, প্রবাস জীবনে যেমন নানা সুবিধা রয়েছে, তেমনি রয়েছে নানামুখী চ্যালেঞ্জ।

প্রবাসীদের জীবনমান মূল্যায়নে আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক ‘ইন্টারনেশনস’ প্রতিবছর একটি জরিপ পরিচালনা করে। এ বছর (২০২৫) পাঁচটি সূচক—সামগ্রিক সুখ, ব্যক্তিগত অর্থ ব্যবস্থাপনা, সহজে স্থায়ী হওয়ার সুযোগ, কর্মসংস্থান ও জীবনমান—কে ভিত্তি করে প্রবাসীদের বসবাসের জন্য সেরা ১০ দেশের তালিকা প্রকাশ করেছে তারা।
আরও


তালিকার শীর্ষে রয়েছে মধ্য আমেরিকার দেশ পানামা। কর্মসংস্থান, জীবনযাত্রার মান এবং প্রয়োজনীয় সুবিধার সহজলভ্যতায় দেশটি সবার ওপরে। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে কলম্বিয়া, যেখানে জীবনযাত্রার ব্যয় তুলনামূলকভাবে কম এবং মানুষ আন্তরিক ও অতিথিপরায়ণ। তৃতীয় স্থানে থাকা মেক্সিকো সংস্কৃতি, প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও প্রবাসীবান্ধব পরিবেশের কারণে বিদেশিদের কাছে আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে।


চতুর্থ ও পঞ্চম স্থানে রয়েছে যথাক্রমে থাইল্যান্ড ও ভিয়েতনাম। থাইল্যান্ডে সহজে মানিয়ে নেওয়ার পরিবেশ এবং স্বাগত সংস্কৃতি প্রবাসীদের টানে। ভিয়েতনাম আবার দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতি ও সাশ্রয়ী জীবনযাত্রার কারণে বিদেশিদের কাছে জনপ্রিয়। ষষ্ঠ স্থানে থাকা চীন আধুনিক অবকাঠামো ও কর্মসংস্থানের সুযোগে এগিয়ে রয়েছে।


তালিকার বাকি চার দেশ হলো—সংযুক্ত আরব আমিরাত, ইন্দোনেশিয়া, স্পেন ও মালয়েশিয়া। করমুক্ত আয়ের সুবিধা ও আধুনিক অবকাঠামোর কারণে আমিরাত প্রবাসীদের কাছে বিশেষ আকর্ষণীয়। ইন্দোনেশিয়ার প্রাণবন্ত সংস্কৃতি, স্পেনের ধীর-স্থির জীবনধারা এবং মালয়েশিয়ার বহুসংস্কৃতির পরিবেশ বিদেশিদের কাছে বসবাসের জন্য পছন্দের জায়গা করে দিয়েছে।










