যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মোহাম্মদ ইউনূসের নিউইয়র্ক সফরকে কেন্দ্র করে বিএনপি-জামায়াত ও আওয়ামী লীগের পাল্টাপাল্টি সমাবেশ, সভা ও বিক্ষোভ দেশটির বাংলাদেশি কমিউনিটির মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করছে। প্রবাসীরা মনে করছেন, এই ধরনের ঘটনাগুলো দেশের ইমেজ ক্ষুন্ন করছে এবং কমিউনিটির উপর বিরূপ প্রভাব ফেলছে।
নিউইয়র্কের বাংলাদেশি কমিউনিটি সতর্ক করেছেন, বিদেশে কোনো নেতার বিরুদ্ধে অসন্তুষ্টি প্রকাশ করা স্বাভাবিক হলেও কনস্যুলেট অফিসে হামলা ও ভাঙচুর সম্পূর্ণভাবে অগ্রহণযোগ্য। ক্যালিফোর্নিয়ার প্রবাসী হুমায়ুন কবির আকাশ বলেন, প্রতিবাদের শৃঙ্খিপূর্ণ ও সভ্য মাধ্যম থাকা উচিত, কিন্তু ভাঙচুর ও হুমকির কারণে দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট হচ্ছে।
২৬ আগস্ট নিউইয়র্ক কনস্যুলেটে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। বিএনপি সমর্থকরা সমাবেশ করেন এবং সরকারের উপদেষ্টা মাহফুজ আলমের অনুষ্ঠানে বাধা সৃষ্টি করেন। পুলিশ দ্রুত ব্যবস্থা নিয়ে দুষ্কৃতকারীদের ছত্রভঙ্গ করে এবং কয়েকজনকে আটক করে। কনস্যুলেট জানিয়েছে, প্রধান অতিথি নির্বিঘ্নে অনুষ্ঠানস্থলে প্রবেশ ও প্রস্থান করতে সক্ষম হন।
আরও
ড. ইউনূস জাতিসংঘের ৮০তম সাধারণ অধিবেশনে অংশগ্রহণের জন্য রোববার রাতের মধ্যে নিউইয়র্কে পৌঁছাবেন। কনস্যুলেট অফিস স্থানীয় প্রশাসন, নিউইয়র্ক পুলিশ ও ফরেন সার্ভিসকে বাড়তি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য চিঠি প্রেরণ করেছে। পাশাপাশি, অনুমতি ছাড়া কনস্যুলেট প্রাঙ্গণে কোনো সমাবেশ বা বিক্ষোভকে বেআইনি হিসেবে গণ্য করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নিউইয়র্কে বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল মোহাম্মাদ মোজাম্মেল হক জানান, প্রধান উপদেষ্টার সফরের সময় সব সরকারি কর্মসূচি শৃঙ্খলার মধ্যে এবং কূটনৈতিক প্রোটোকল অনুযায়ী পরিচালিত হবে। স্থানীয় প্রশাসন ও প্রবাসী কমিউনিটি সতর্ক অবস্থানে থাকবেন যাতে যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়ানো যায়।










