ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে দুই নাবালক সন্তানসহ এক অন্তঃসত্ত্বা বাংলাদেশি নারীকে এক আত্মীয় ফেলে রেখে পালিয়েছে। রবিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে রাত পর্যন্ত সীমান্তে অসহায় অবস্থায় বসে থাকা ওই নারীকে অবশেষে সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে।
পেট্রাপোল-বেনাপোল সীমান্ত এলাকার এই ঘটনার শিকার পরিমা আক্তার নামে চট্টগ্রামের এক বাসিন্দা নারী। পুলিশ জানায়, দুই বছর ও চার বছরের দুই শিশু নিয়ে সীমান্তে বসিয়ে রেখেছিলেন তার কাকা শ্বশুর। সীমান্তে পৌঁছে হোটেলে খাবার খাওয়ানোর পর চুপচাপ চলে যান তিনি। স্থানীয়রা অসহায় নারী ও শিশুরা দেখে পুলিশকে খবর দেন।
জিজ্ঞাসাবাদে পরিমা আক্তার জানায়, ছয় বছর আগে তিনি ভারতীয় নাগরিক মিলন শেখের সঙ্গে বৈবাহিক সম্পর্ক গড়ে তুলেছিলেন। বিয়ের পর তারা বাংলাদেশেই থাকতেন। গত ৯ মাস আগে অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতে চলে যান। ভারতে থাকাকালীন শ্বশুরবাড়ির লোকজন তার উপর মারধর ও অত্যাচার চালায় এবং বাংলাদেশ ফিরে যাওয়ার জন্য চাপ দেয়।
আরও
পরিমা আক্তারের অভিযোগ, সীমান্তে আনার সময় তার কাকা শ্বশুর পাসপোর্ট না থাকার কারণে নিরাপত্তা রক্ষীদের ভয় দেখিয়ে তাকে ফেলে পালিয়েছেন। নিরাপত্তা রক্ষীদের হাতে পড়ার পর পুলিশের কাছে আশ্রয় নেন তিনি।
পেট্রাপোল থানার পুলিশ তাকে বনগাঁ মহকুমা আদালতে তোলার পর ১৪ দিনের বিচার বিভাগীয় জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে। আদালত নারী ও শিশুরা যেন সুরক্ষায় থাকে তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি তার স্বামী ও কাকা শ্বশুরকে দ্রুত খুঁজে বের করে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছে।









