চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে চট্টগ্রাম-জেদ্দা রুটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইট বন্ধ করা হয়েছে। বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) থেকে এ ফ্লাইট আর পরিচালিত হবে না। বিমান বাংলাদেশ চট্টগ্রামের ব্যবস্থাপক আল মামুন ফারুক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন এবং এয়ারক্রাফট সংকটকে মূল কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। এর আগে প্রতি সপ্তাহে তিনটি ফ্লাইট চলাচল করত।
ফ্লাইট কমানোর সিদ্ধান্তে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন হজ এজেন্সিজ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (হাব), চট্টগ্রাম জোনের সাবেক চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শাহ আলম। তিনি বলেন, চট্টগ্রাম-জেদ্দা ও চট্টগ্রাম-মদিনা রুটে যাত্রীদের চাহিদা বাড়লেও বিমান কর্তৃপক্ষ উল্টোভাবে ফ্লাইট কমিয়েছে। বিশেষ করে বছরের শেষ দিকে ওমরাহ ও সাধারণ যাত্রীর সংখ্যা বৃদ্ধি পায়, যা আসনসংকটে পরিণত হয়।
এদিকে ওমানের বেসরকারি এয়ারলাইনস সালাম এয়ার চট্টগ্রাম-মাস্কাট রুটে বর্তমানে সপ্তাহে একটি করে ফ্লাইট পরিচালনা করছে। আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর থেকে তারা প্রতি সপ্তাহে সোম, বুধ ও শুক্রবার অতিরিক্ত তিনটি ফ্লাইট চালানোর পরিকল্পনা নিয়েছে। ফলে চট্টগ্রাম থেকে সৌদি আরব, কুয়েত ও কাতারের যাত্রীরা মাস্কাট হয়ে ট্রানজিট করে গন্তব্যে পৌঁছাচ্ছেন।
আরও
বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, ২০০০ সালে বিদেশি বিমান সরাসরি চালুর পর যাত্রী সংখ্যা বছরে ৬ লাখ থেকে বেড়ে ১৬ লাখে দাঁড়িয়েছে। ২০২৩ সালে আন্তর্জাতিক রুটের যাত্রীর সংখ্যা ৮.৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৯ লাখ ৬৮ হাজারে পৌঁছেছে। তবে বিমানবন্দর অবকাঠামোর সীমাবদ্ধতার কারণে প্যাসেঞ্জার বিল্ডিংয়ের সক্ষমতা মাত্র ৬ লাখ, ফলে যাত্রীদের ভোগান্তি বাড়ছে।
চট্টগ্রাম শাহ আমানত বিমানবন্দর থেকে বিমান বাংলাদেশ ফ্লাইট বন্ধ করার বিষয়ে জানতে চাইলে জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী ইব্রাহিম খলিল বলেন, বুধবারের চট্টগ্রাম-জেদ্দা ফ্লাইট বন্ধ করা হয়েছে এবং ভবিষ্যতে এ রুটে ফ্লাইট পরিচালনার বিষয়ে বিমান কর্তৃপক্ষ পুনর্বিবেচনা করবে।











