ঢাকা-নারিতা-ঢাকা রুট পুনরায় চালু করার ২১ মাসের মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস ফ্লাইট বন্ধ করতে বাধ্য হয়। কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে জানা যায়, বাণিজ্যিক ও লাভজনক সম্ভাবনা যাচাই না করায় এ রুটে বিপুল লোকসান হয়েছে।
ফ্লাইট বন্ধের সিদ্ধান্তে প্রবাসী যাত্রীদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দেয়। অ্যাভিয়েশন বিশেষজ্ঞরা এটিকে ‘দুর্ভাগ্যজনক ও আত্মঘাতী’ সিদ্ধান্ত হিসেবে অভিহিত করেন। বিমান সূত্র জানায়, নারিতা রুটে প্রতিটি ফ্লাইটে গড়ে ৯৫ লাখ টাকা লোকসান হয়েছে। চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে ফ্লাইট বন্ধ করা হয়, ফলে যাত্রীদের তৃতীয় দেশের ট্রানজিটের ওপর নির্ভর করতে হয় এবং ভ্রমণের সময় ও খরচ বেড়ে গেছে।
নারিতা ফ্লাইট ২০২৩ সালের ১ সেপ্টেম্বর পুনরায় চালু হয়, কিন্তু যাত্রী ও ট্রানজিট সম্ভাবনা পর্যাপ্ত রূপে কাজে লাগানো যায়নি। অ্যাভিয়েশন বিশেষজ্ঞ কাজী ওয়াহিদুল আলম বলেন, ক্ষতি কমানোর জন্য কার্যকর পদক্ষেপ এবং যথাযথ পরিকল্পনা ও ব্র্যান্ডিং প্রয়োজন। তিনি আরও বলেন, গুরুত্বপূর্ণ প্রবাসী গন্তব্যে ফ্লাইট বন্ধ করা বিমানের দুর্বল ব্যবসায়িক পরিকল্পনার প্রমাণ।
আরও
বিমানের মুখপাত্র এবিএম রওশান কবির জানান, কোনো রুট যাচাই ছাড়া চালু হয় না। নারিতা রুটও পরিকল্পনার অংশ হিসেবে চালু হয়েছিল, কিন্তু সাফল্য আনতে ব্যর্থ হওয়ায় বন্ধ করা হয়েছে।











