মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক রেমিট্যান্স প্রেরণকারী বাংলাদেশি বসবাস করছেন। বিশেষ করে দুবাইতে ব্যবসা ও চাকরির সুযোগ রয়েছে অনেক। বহু প্রবাসী দুবাই হয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে যান, আবার কেউ কেউ এখানে বিনিয়োগ করে নিজের ব্যবসা প্রতিষ্ঠা করেছেন।
বাংলাদেশ থেকে আমিরাতের দূরত্ব আকাশপথে প্রায় ৩,৫০০-৩,৭০০ কিলোমিটার। সরাসরি বিমান ভ্রমণে সময় লাগে সাড়ে ৪ থেকে ৫ ঘণ্টা। তবে বিমান টিকিটের উচ্চমূল্য প্রায়শই প্রবাসীদের জন্য বিরাট সমস্যা হয়ে দাঁড়াচ্ছে। বর্তমানে দুবাই, আবুধাবি বা শারজাহ থেকে ঢাকা, চট্টগ্রাম বা সিলেটের ইকোনমি ক্লাসের টিকিটের দাম ২০ হাজার থেকে ৩৫ হাজার টাকা, কিন্তু বাংলাদেশ থেকে আসার ক্ষেত্রে টিকিট ৫০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকারও বেশি খরচ হয়।
ভ্রমণ সংক্ষিপ্ত রাখতে চাইলে, এক সপ্তাহের মধ্যে ঢাকা-দুবাই রিটার্ন টিকিটের দাম ৩০ হাজার থেকে শুরু হয়ে প্রায় ১ লাখ পর্যন্ত ওঠে। তৃতীয় দেশ হয়ে ভ্রমণ করলে দাম কমে ১৫ থেকে ২৫ হাজার টাকায় পাওয়া যায়। তবে শ্রমিক ও সাধারণ প্রবাসীরা মূলত সীমিত আয়ে চলে, ফলে পরিবারের জন্য কিছু নিয়ে যাওয়া প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে।
আরও
এয়ারলাইন্স সূত্রে জানা গেছে, টিকিটের দাম বিভিন্ন ক্যাটাগরি ও সিটের ভিত্তিতে ভিন্ন। বিশেষ করে বিমান বাংলাদেশ ও ইউএস বাংলার টিকিটের ক্ষেত্রে দাম অনেকটা এয়ারলাইন্স ও সিন্ডিকেটের ওপর নির্ভর করে। বর্তমানে বিজনেস ক্লাস ছাড়া লো-ক্যাটাগরির টিকিট পাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে, ফলে সাধারণ প্রবাসীদের খরচ বেড়ে গেছে।
প্রবাসীরা অভিযোগ করছেন, উড়োজাহাজের টিকিটের দাম নিয়ন্ত্রণ না থাকায় দেশে ছুটির সময় পরিবারকে দেখার জন্য ভ্রমণ করা হিমশিম খাওয়া হয়ে গেছে। সিন্ডিকেট ভেঙে দিলে টিকিটের দাম হ্রাস পাবে এবং প্রবাসীদের পক্ষে পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো সহজ হবে।











