চট্টগ্রামের চন্দনাইশে যৌতুকের দাবিতে অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে এক প্রবাসীর বিরুদ্ধে। নিহত গৃহবধূর নাম মুক্তা আক্তার (২৬)। গত রোববার রাতে উপজেলার সাতবাড়িয়া ইউনিয়নের পলিয়া পাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত মুক্তা হাশিমপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ ভান্ডারী পাড়া এলাকার নাছির উদ্দিনের কন্যা।
মুক্তার পরিবারের অভিযোগ, বিয়ের পর থেকে ওমান প্রবাসী স্বামী মো. পারভেজ (৩৬) নানা অজুহাতে টাকা দাবি করতেন। ইতোমধ্যে শ্বশুরবাড়ি থেকে কয়েক দফায় প্রায় সাড়ে তিন লাখ টাকা নেওয়ার পর সম্প্রতি বাড়ি নির্মাণের জন্য আরও পাঁচ লাখ টাকা দাবি করেন তিনি। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে স্বামী ও শাশুড়ি জাহানারা খাতুন (৫৪) মিলে গৃহবধূর উপর অমানবিক নির্যাতন চালান।
পরিবারের দাবি, মারধরের পর মুক্তাকে ওষুধ খাওয়ানো হয়। এরপর তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়, পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। নিহতের স্বজনদের অভিযোগ, এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড।
আরও
এ ঘটনায় নিহতের পিতা নাছির উদ্দিন বাদী হয়ে মুক্তার স্বামী পারভেজ, শ্বশুর সোলাইমান ও শাশুড়ি জাহানারার বিরুদ্ধে চন্দনাইশ থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্তরা পলাতক রয়েছেন।
চন্দনাইশ থানার ওসি গোলাম সারোয়ার জানান, নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। মামলার আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে বলেও তিনি জানিয়েছেন।










