১৩ বছরের প্রবাস জীবনে কঠোর পরিশ্রমে উপার্জিত প্রায় ৮০ লাখ টাকা স্ত্রীর ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পাঠিয়েছিলেন বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলার ইসরাফিল হোসেন। স্বপ্ন ছিল দেশে ফিরে পরিবার নিয়ে শান্তিতে দিন কাটানোর। কিন্তু দেশে ফেরার আগমুহূর্তে সবকিছু ওলটপালট হয়ে যায়—স্ত্রী ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খালি করে পরকীয়া প্রেমিকের সঙ্গে পালিয়ে যান।
নন্দীগ্রামের থালতা-মাঝগ্রাম ইউনিয়নের ধাওয়াস গ্রামের বাসিন্দা ইসরাফিল হোসেন এ ঘটনায় স্ত্রী পারভিন আক্তারসহ নয়জনের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন। অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন—পারভিনের বোন সাবিনা বেগম, ভাই আব্দুর রউফ ও বুলবুল হোসেন, দুলাভাই মিজানুর রহমান, ভাবী ছওদা বেগম ও বিউটি বেগম, বাবা একাব্বর হোসেন এবং পরকীয়া প্রেমিক হাসান আলী।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বিয়ের তিন বছর পর সংসারের উন্নতির জন্য মালয়েশিয়া যান ইসরাফিল। দীর্ঘ প্রবাস জীবনে ধীরে ধীরে প্রায় ৮০ লাখ টাকা দেশে পাঠান তিনি। কিন্তু অনুপস্থিতির সুযোগে স্ত্রী পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন। স্বামীর দেশে ফেরার খবর পেয়ে তালাক দিয়ে প্রেমিক হাসান আলীর সঙ্গে পালিয়ে যান।
আরও
ইসরাফিল জানান, তালাকের পরও তিনি বিদেশ থেকে পাঠানো অর্থ ফেরতের জন্য স্ত্রী ও অন্যান্য অভিযুক্তদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন, কিন্তু তারা নানা অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করেন। শেষ পর্যন্ত দেশে ফিরে তিনি আইনের দ্বারস্থ হন। অন্যদিকে অভিযুক্তরা জানিয়েছেন, তারা শিগগিরই টাকা ও সেই টাকায় কেনা সম্পদ ফেরত দেবেন, তবে কিছু সময় প্রয়োজন।
নন্দীগ্রাম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোজাহারুল ইসলাম বলেন, অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।











