গাজার আকাশ যখন ধোঁয়া ও ক্ষুধার ছায়ায় আচ্ছন্ন, ঠিক তখনই রাফাহ সীমান্ত দিয়ে প্রবেশ করেছে মানবতার এক বিশাল ত্রাণ বহর। রোববার (১০ আগস্ট) বিকেলে মিশর-ফিলিস্তিন সীমান্তের রাফাহ এল-ব্রি ক্রসিং হয়ে গাজায় পৌঁছায় মিশরের আল-আজহার শরীফের ‘যাকাত ও সদকা ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে বাংলাদেশিদের অনুদানে পাঠানো লাল-সবুজ পতাকা খচিত লরির বহর।

এই উদ্যোগে অংশ নেয় বিশ্বের ৮৫টিরও বেশি দেশের মানবিক সংস্থা, যার মধ্যে ছিল মিশরে অধ্যয়নরত বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ওয়ান উম্মাহ ফাউন্ডেশন, বি.এম শাবাব ফাউন্ডেশন, বাংলাদেশ-ফিলিস্তিন মৈত্রী সংস্থা, ‘Mojo’, হালিমা নূর ফ্যামিলি, ঢাকা আরসিন গেট শাহী জামে মসজিদ এবং আল ইহসান নেটওয়ার্ক। তাদের পাঠানো ১৫টি খাদ্যবাহী কনটেইনারে ছিল এক হাজারের বেশি সজ্জিত তাঁবু, খাদ্য সামগ্রী, বিশুদ্ধ পানীয় জল, শিশুদের দুধ ও ডায়াপার, চিকিৎসা সরঞ্জাম, গৃহস্থালি পণ্য, পোশাক, কম্বল, আলু, শুকনো ও টিনজাত খাবারসহ নানাবিধ সহায়তা।
আরও
ওয়ান ওয়ার্ল্ড উম্মাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান হোজাইফা খান বলেন, এই ত্রাণ বহর কেবল পণ্য নয়, বরং ভালোবাসা, সহানুভূতি ও ভ্রাতৃত্বের প্রতীক। আল-আজহার শরিফের গ্র্যান্ড ইমাম ড. আহমদ আল-তায়েবের নির্দেশে পাঠানো এই সহায়তা গাজার অবরুদ্ধ মানুষের কাছে পৌঁছে দেবে জীবন বাঁচানোর আশার আলো।
তিনি জানান, প্রায় দুই বছর ধরে অবরুদ্ধ গাজায় প্রাণঘাতী অনাহার ও দুর্ভিক্ষ চলছে। সম্প্রতি উত্তর গাজায় পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করায় জরুরি ভিত্তিতে এই ত্রাণ পাঠানো হয়েছে।
আল-আজহারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এই সহায়তা কেবল খাদ্য ও আশ্রয়ের উপকরণ নয়, বরং এটি বিশ্বব্যাপী মানবিক সংহতি ও সহমর্মিতার এক উজ্জ্বল উদাহরণ হয়ে থাকবে।












