বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের আবুধাবিগামী বিজি-৩২৭ ফ্লাইটটি মাঝ আকাশে টয়লেটের ত্রুটি দেখা দেওয়ায় ঢাকায় ফিরে এসেছে। বুধবার (৭ আগস্ট) রাত ১২টা ২৩ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়নের প্রায় এক ঘণ্টা পর বিমানের তিনটি টয়লেটের ফ্লাশ অকেজো হয়ে গেলে পাইলট যাত্রীদের স্বাচ্ছন্দ্যের কথা বিবেচনা করে ফেরার সিদ্ধান্ত নেন। রাত ১টা ৩১ মিনিটে ফ্লাইটটি ঢাকায় অবতরণ করে।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের জনসংযোগ ব্যবস্থাপক আল মাসুদ খান জানিয়েছেন, বিকল উড়োজাহাজের যাত্রীদের পরবর্তী ফ্লাইটে গন্তব্যে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। এর আগে একই দিনে দুপুরে ব্যাংককগামী বিজি-৩৮৮ ফ্লাইট ইঞ্জিনে অস্বাভাবিক কম্পন শনাক্ত হওয়ায় মিয়ানমারের আকাশ থেকে ঢাকায় ফিরে আসে। বোয়িং ৭৩৭ মডেলের উড়োজাহাজটি তখন ১৪৬ যাত্রী বহন করছিল।
বিমান সূত্র জানায়, গত ২০ দিনে এটি বিমানের বহরে থাকা বোয়িং উড়োজাহাজে ষষ্ঠ ত্রুটির ঘটনা। সাম্প্রতিক সময়ে ইঞ্জিন সমস্যা, কেবিন প্রেশার সংকেত, ল্যান্ডিং গিয়ারের ত্রুটি ও চাকা বিকল হওয়াসহ একাধিকবার ফ্লাইট বাতিল বা বিলম্বিত হয়েছে। এসব ঘটনার কারণে যাত্রীদের বিকল্প ফ্লাইটে পাঠাতে হয়েছে, ফলে সময়সূচিতে বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটছে।
আরও
প্রকৌশল বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ব্যাংককগামী উড়োজাহাজটির সম্প্রতি ‘হেভি মেইনটেন্যান্স চেক’ সম্পন্ন হয়েছিল এবং এটি কয়েকদিন অভ্যন্তরীণ রুটে চলাচল করেছে। তবে মিয়ানমারের আকাশে ইঞ্জিনে অস্বাভাবিক কম্পন দেখা দেওয়ায় পাইলট নিরাপত্তার স্বার্থে ফেরার সিদ্ধান্ত নেন।
বিগত কয়েক সপ্তাহে বোয়িং ৭৩৭, ৭৭৭-ইআর এবং ড্রিমলাইনারসহ একাধিক উড়োজাহাজে ধারাবাহিক যান্ত্রিক ত্রুটি বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহরের নির্ভরযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রতিটি ঘটনার পরপরই প্রকৌশলীরা কারণ শনাক্ত ও মেরামতের কাজ সম্পন্ন করছেন, যাতে পরবর্তী ফ্লাইটগুলো নির্বিঘ্নে পরিচালনা করা যায়।











