পাবনার আটঘরিয়া উপজেলায় ভিডিও কলে বিয়ে হওয়া এক দম্পতির ঘটনায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। প্রবাসী যুবক শিহাব উদ্দিন রাঙার (৩৫) সঙ্গে বিয়ের পর স্ত্রী রোকেয়া খাতুন (২২) প্রায় ১২-১৩ লাখ টাকার স্বর্ণালঙ্কার ও নগদ অর্থ নিয়ে পালিয়ে গেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
জানা গেছে, দুই বছর আগে ইমুতে পরিচয়ের সূত্র ধরে ভিডিও কলে বিয়ে হয় রাঙা ও আটঘরিয়ার সঞ্জয়পুর গ্রামের মেয়ে রোকেয়ার। বিয়ের পর থেকে রোকেয়া শ্বশুরবাড়িতে না গিয়ে বাবার বাড়িতেই থাকতেন। এ সময়ে রাঙা বিদেশ থেকে নিয়মিত অর্থ পাঠিয়ে স্ত্রীর ভরণপোষণ চালিয়ে আসেন এবং স্বর্ণালঙ্কার, উপহার ও অন্যান্য খরচ বাবদ প্রায় ১৩ লাখ টাকা ব্যয় করেন।
রাঙার পরিবারের দাবি, এর আগেও ২০২৪ সালের নভেম্বরে রোকেয়া একইভাবে বাড়ি থেকে পালিয়ে যান। পরে তাকে ঢাকায় খুঁজে পেয়ে বাড়িতে ফিরিয়ে আনা হয়। এবার আবারও তিনি গোপনে চলে গেছেন এবং পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন। স্বামীর পরিবারের তরফে দেওয়া গহনা ফেরত চাইলে রোকেয়ার পরিবার অপমানজনক আচরণ করে বলে অভিযোগ রয়েছে।
আরও
এ ঘটনায় রোকেয়ার বাবা রিপন মিয়া বলেন, “রাঙা আমার মেয়েকে ভিডিও কলে বিয়ে করেছে, কিন্তু তিন বছরেও দেশে আসেনি। তার সঙ্গে এখন আর আমাদের কোনো সম্পর্ক নেই। যেসব জিনিস পাঠিয়েছে, তা খরচ হয়ে গেছে, ফেরত দেওয়ার কিছু নেই।” তবে জানা গেছে, আগেরবার পালিয়ে যাওয়ার সময় রোকেয়ার বাবা নিজেই থানায় অভিযোগ করেছিলেন, মেয়েটি স্বর্ণালঙ্কার ও নগদ টাকা নিয়ে পালিয়েছে।
বর্তমানে রোকেয়ার অবস্থান সম্পর্কে কেউ নিশ্চিত নয়। পরিবারের একাধিক সদস্যের দাবি, তিনি পূর্বের প্রেমিকের সঙ্গে পালিয়ে গেছেন। তবে এবারের ঘটনায় থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে কি না, সে বিষয়ে এখনো কোনো নিশ্চয়তা পাওয়া যায়নি। ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা চলছে।











