ঢাকায় ভারতীয় দূতাবাস ঘেরাও কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি-জাগপার সহ-সভাপতি ও মুখপাত্র রাশেদ প্রধান বলেন, “আজ ভারতীয় দূতাবাসকে হলুদ কার্ড দেখানো হলো। আমাদের জাতীয় স্বার্থবিরোধী তৎপরতা অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে লাল কার্ড দেখানো হবে।” ভারতীয় আগ্রাসনের প্রতিবাদে ও “খুনি হাসিনার” প্রত্যর্পণের দাবিতে এই কর্মসূচি পালিত হয়।
বিক্ষোভ মিছিলটি মেরুল বাড্ডা থেকে শুরু হয়ে গুলশান-বাড্ডা লিংক রোডে পৌঁছালে পুলিশের বাধার মুখে পড়ে। সেখানেই তাৎক্ষণিক পথসভায় রাশেদ প্রধান বলেন, “গণহত্যাকারী শেখ হাসিনার বিচার দেখতে শহীদ পরিবার ও মুক্তিযোদ্ধারা অপেক্ষা করছেন। ভারতের আশ্রয়ে থাকা হাসিনাকে ফেরত দিতে হবে এবং সীমান্তে হত্যা, পুশ-ইন, পানিবণ্টনের বৈষম্যসহ দাদাগিরি বন্ধ করতে হবে।”
তিনি অভিযোগ করেন, শেখ হাসিনার আমলে দেশের নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক কাঠামোয় হিন্দুস্তানি কর্মকর্তা ও গোয়েন্দা সংস্থার অনুপ্রবেশ ঘটেছে। এ বিষয়ে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে তিনি বলেন, “স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে দেওয়া হবে না। ভারত যদি তার সব কর্মকর্তা প্রত্যাহার না করে, তবে জনগণ জেগে উঠবে—আরেকটি ৫ আগস্ট সৃষ্টি হবে।”
আরও
ভারতের বিজেপি সরকারকে উদ্দেশ করে জাগপা মুখপাত্র বলেন, “বাংলাদেশের নির্বাচন বাংলাদেশেই হবে, দিল্লির ছকে নয়। প্রতিবেশী হয়ে সহাবস্থান করুন, আধিপত্য বিস্তার বন্ধ করুন। শেখ হাসিনার পতনে ভারতের একক আধিপত্যের স্বপ্ন ছিন্নভিন্ন হয়েছে।”
পথসভায় আরও বক্তব্য রাখেন জাগপা সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ইকবাল হোসেন, প্রেসিডিয়াম সদস্য আসাদুর রহমান খান, সৈয়দ শফিকুল ইসলাম, মো. নিজামদ্দিন অমিত, যুব জাগপার সভাপতি নজরুল ইসলাম, ছাত্রলীগ সভাপতি আব্দুর রহমান ফারুকীসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।









